ইসরায়েল হুঙ্কারে কাগজি বাঘ একথা বিশ্বের মানুষ বুঝবার আর কিঞ্চিত বাকি নাই,সম্প্রতি সিরিয়ায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে ইসরায়েলের হত্যাজ্ঞের প্রতিশোধের এই হামলা সত্য ও ন্যায়ের দৃষ্টিকোণ থেকে সার্বজনীন সমর্থনযোগ্য একথার আর বিশেষ কেন ব্যাখার অবকাশ রাখে না।যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা বর্তমানের জন্য অপাংতেয় ও অতি হাস্যকর, ইহাতে ইরানের কিছু যায় আসে বলে মনে হয়না।এযাবত গাজার ধ্বংস লীলার জন্য ইসরায়েলকে বিশ্ব সন্ত্রাসীর তকমায় তার সমস্ত অপকীর্তির কুফল স্বরূপ যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহুকে অবশ্যই এজিদের শাস্তি ভোগ করতে হবে।ইরানের মুহুর্মুহু বৃষ্টি মিশিল দেখে সারা বিশ্বের মানুষের মনে দ্বন্দ্ব জাগে আদোও কি এই দৃশ্য বাস্তব নাকি ইরানের সামরিক কারিশমার ছয় ঘন্টার কোন আজগুবি সিনেমা।কি দরকার ছিলো নকের পিঠে পানি ধরে রাখার হাস্যকর প্রয়াস ? শুনতে পেলাম ইসরায়েল ইরানের উপর নাকি তিন চারটে ভ্রুন পাঠিয়েছো ইরানের ড্রোন কারখানা দেখতে,পাগলামির একটা সীমা আছে খ্যাপা খুঁড়া দাম্ভিক নেয়াহু এখনও দিব্যি শাক দিয়ে মাছ ডাকবার সর্ব নিকৃষ্ট শয়তানিতে মগ্ন আস্থা গ ফিরি আল্লাহ ।বোকা বানানোর দিন শেষ, সেই আজও বুঝতে বা মেনে নেবার রাজি নয় প্রকৃতার্থে তিনি ইরানের কাছে আকাশ পাতাল পার্থক্যে অতি দুর্বল অদক্ষ অযোগ্য নির্বোধ ভীতু জঘন্য মানবতার কলংক গলাবাজি সর্বস্ব দাম্ভিক দুষ্ট আমেরিকার পুতুল হয়ে পৃথিবীকে এতদিন মিথ্যাচারের সাগরে ভাসিয়েছে।কেবল শুরু আগামীর বিশ্ব রাজনৈতিতে অনেক নতুন চমক অপেক্ষা করছে বিশ্বযুদ্ধ নাও হতে পারে উত্তরে শেষমেষ দেখা যাবে ফিলিস্তিনের হামাসকে নিয়ে ইরানই কিন্তু তাঁর পক্সি বাহিনীসহ একটি বিশ্বযুদ্ধ জেতার জয়ের মালা পড়বেন। ইসরায়েল আজ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে বসে জার্মান হিটলারের ইহুদী নিধনের বদলা নিলো ফিলিস্তিনের লাখো শিশু নর নারীর উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংস লীলার মাধ্যমে, খুব কঠিন রাজ্যে প্রবেশ করেছো এগিয়ে চলো মিঃ নেতানিয়াহু তোমার পরিনাম পৃথিবী দেখার অপেক্ষায়।
কবি শাহাদাত হোসেন তালুকদার প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট,সাহিত্য সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন।


মন্তব্য