২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
     
             

কক্সবাজারের সংগীতাঙ্গনে নতুন বিস্ময় শিল্পী ইফতি

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গত পাঁচ বছরে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আকলিমা ইসলাম ইফতি। আধুনিক গান ও নজরকাড়া পারফরম্যান্স দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। বর্তমানে কক্সবাজারের যেকোনো বড় অনুষ্ঠান মানেই যেন ইফতির সুরের মূর্ছনা।স্থানীয় দর্শকদের মতে, আকলিমা ইসলাম ইফতি ছাড়া বর্তমানে কক্সবাজারের কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পূর্ণতা পায় না। বিশেষ করে বিভিন্ন করপোরেট ইভেন্ট বা বড় ধরনের আয়োজনে আয়োজকদের প্রথম পছন্দই থাকেন এই শিল্পী। গানের তালে তালে পরিশীলিত ও শালীন নৃত্য পরিবেশনা স্টেজ প্রোগ্রামগুলোতে যোগ করে এক ভিন্ন মাত্রা, যা তাকে সমসাময়িক অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।কেবল স্থানীয় পর্যায়েই নয়, ইফতি ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সংগীত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে দেশজুড়ে পরিচিতি ও প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তার গায়কী শৈলী এবং মঞ্চ উপস্থিতির কারণে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি এখন দারুণ জনপ্রিয়। তার ফেসবুক পেজ ও বিভিন্ন ভিডিওর নিচে ভক্তদের ইতিবাচক মন্তব্য এবং শুভকামনা সেই জনপ্রিয়তারই প্রমাণ দেয়।গানের পাশাপাশি আকলিমা ইসলাম ইফতি পড়াশোনায়ও সমান কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তার উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং মার্জিত আচরণ তাকে সংগীতাঙ্গনে একজন শিক্ষিত ও সচেতন শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শিল্পচর্চাকে তিনি কেবল পেশা নয়, বরং সাধনা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।নিজের এই উত্থান প্রসঙ্গে আকলিমা ইসলাম ইফতি প্রতিবেদককে বলেন,সংগীতের আঙিনায় আমার পথচলা শুরু হয় ২০১৫ সালে। তবে এই যাত্রার বীজ বপন হয়েছিল আরও অনেক আগে, আমার শৈশবে। আজ আমি যতটুকু আসতে পেরেছি বা যেটুকু সাফল্য অর্জন করেছি, তার সিংহভাগ অবদান আমার প্রিয় মায়ের। ছোটবেলা থেকেই তাঁর অসামান্য যত্ন এবং অনুপ্রেরণা আমাকে আজকের ‘আকলিমা ইসলাম ইফতি’ হিসেবে গড়ে তুলেছে।আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১২ সাল। সে বছর দেশাত্মবোধক গানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমি রাষ্ট্রপতি পদক লাভ করি। এই প্রাপ্তি আমার দায়িত্ববোধকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। পরবর্তীতে ‘চ্যানেল আই ক্ষুদে গানরাজ’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ আমার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করে। বর্তমানে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিত সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি আমার নতুন অ্যালবামের কাজ এগিয়ে চলছে। খুব শীঘ্রই কিছু গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং শুরু হবে, যার কিছু অংশ দেশের বাইরে করার পরিকল্পনা রয়েছে।ব্যক্তিগত পছন্দের কথা বলতে গেলে, ছোটবেলা থেকেই নীল এবং কালো রঙের প্রতি আমার এক ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। তবে আমার জগতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আমার মা, যাঁকে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো সংগীত নিয়ে ভিন্নধর্মী ও মানসম্মত কিছু কাজ করা, যা শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেবে। উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে হয়তো দেশের বাইরে পাড়ি দেব, কিন্তু সংগীতকে কখনো বিদায় জানাব না। সংগীত আমার কাছে কেবল অর্থ উপার্জনের মাধ্যম নয়; এটি আমার ভালোলাগা, আমার ভালোবাসা এবং আমার অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকা একটি ‘প্যাশন’।সবশেষে, আমি আমার অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শ্রোতাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের নিরন্তর ভালোবাসা এবং আন্তরিকতা আমাকে প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে। আপনাদের এই সমর্থনটুকু সাথে নিয়েই আমি আগামীর পথে এগিয়ে যেতে চাই কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক কর্মীদের দাবি, ইফতি তার মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে কক্সবাজারের জন্য যে গৌরব বয়ে এনেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভক্তদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সংগীতকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবেন।সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আকলিমা ইসলাম ইফতি এখন এক অনুপ্রেরণার নাম, যিনি আধুনিক সংগীতের ধারায় এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

মন্তব্য

One response to “কক্সবাজারের সংগীতাঙ্গনে নতুন বিস্ময় শিল্পী ইফতি”

  1. বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন says:

    Good news

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page