আব্দুল্লাহ আল মারফ >>> কণ্ঠশিল্পী প্রিয়াংকা পালের নতুন একটি মৌলিক গান মুক্তি পেতে যাচ্ছে। বিরহ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণে তৈরি এই গানটি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গানটির কথা ও সুরের গাঁথুনি শ্রোতাদের হৃদয়ে এক ভিন্নমাত্রার দোলা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নেপথ্যের কারিগর ও নির্মাণ শৈলী।
গানটির কথা লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার ও সাংবাদিক এম আমান উল্লাহ। যার সৃজনশীল দিকনির্দেশনায় গানটি পেয়েছে এক গভীর আবেগ। সুর করেছেন বিশিষ্ট সুরকার আজম চৌধুরী। তার সুরের মূর্ছনায় ফুটে উঠেছে বেদনার মৃদু ঢেউ।
পুরো প্রজেক্টটির সংগীতায়োজন সম্পন্ন হয়েছে ভারতের একটি স্বনামধন্য স্টুডিওতে, স্টুডিও সুর সমুদ্রের ব্যানারে। আধুনিক প্রযুক্তি ও সূক্ষ্ম কারিগরি ছোঁয়ায় গানটি একটি আন্তর্জাতিক মানের শ্রুতিমধুর অভিজ্ঞতা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিজের নতুন কাজ এবং সংগীত জীবন নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রিয়াংকা পাল। তিনি বলেন:গান শেখাটা আমার ছোটবেলা থেকেই শুরু। বাবার হাত ধরেই প্রথম হারমোনিয়াম বাজাতে শিখেছি। আমি কক্সবাজারের খুরুশকুল ইউনিয়নের মেয়ে। ২০১৬ সাল থেকে পেশাগতভাবে গান করে আসলেও ফোক গানের প্রতি আমার জন্মগত একটা টান রয়েছে। সম্ভবত সেই টানের কারণেই গীতিকার ও সুরকার এই গানটির জন্য আমাকে মনোনীত করেছেন। আমি চেষ্টা করেছি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে গাইতে।
কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করা প্রিয়াংকা বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার (কক্সবাজার) এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন (চট্টগ্রাম কেন্দ্র)-এর একজন নিয়মিত তালিকাভুক্ত শিল্পী।
পুরো প্রজেক্টটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা বাবুল দে বলেন,আমরা চেষ্টা করেছি একটি হৃদয়ছোঁয়া কাজ উপহার দিতে। প্রিয়াংকার কণ্ঠের মায়াবী আবেদন গানটিকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে। আশা করছি প্রকাশের পর গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসায় সিক্ত হবে।
সংগীত সংশ্লিষ্টদের মতে, ১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই গুণী শিল্পী ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পেলে প্রিয়াংকা পাল বাংলা সংগীত জগতকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবেন এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে সক্ষম হবেন।
খুব শীঘ্রই গানটি একটি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একযোগে মুক্তি পাবে।


মন্তব্য