আনোয়ার হোসেন, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> স্মরণকালের জনসমুদ্রে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে এ উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন কিশোরীগঞ্জ বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে একটি বর্ণিল ও বর্ণাঢ্য আলোচনা সভার আয়োজন করেন। এ আলোচনা সভায় উপজেলা ও ৯টি ইউনিয়নের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত পদচারনায় সভাস্থল কানায় কানায় ভরে উঠে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এ জনসমুদ্রে নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক এ কে এম তাজুল ইসলাম ডালিমের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, নীলফামারী-০৪(সৈয়দপুর -কিশোরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ও সৈয়দপুর( সাংগঠনিক) জেলা বিএনপির বর্ষিয়ান সংগ্রামী সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন,সাধারন সম্পাদক শাহীন আকতার,সহ সভাপতি এস এম ওবায়দুর রহমান, সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম জনি,সহ সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার প্রামানিক,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক রেজওয়ান আকতার পাপ্পু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবু,মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক রুপা হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি হোসেন আরমান,কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনে সাঈদ সুজন,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলু,যুবদলের সভাপতি মাহমুদুল হক টিপু, কৃষকদলের সভাপতি তৌহিদুর রহমান তৌহিদ,স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শাহ আলম বাবু,সদস্য সচিব দেবাশীষ সরকার,মহিলা দলের সাধারন সম্পাদক রোকসানা আফরোজ সাথী,তাঁতীদলের আহবায়ক রহিদুল ইসলাম,ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা রাসেল প্রামানিক। আরোও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালাম,সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান,কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম মোর্শেদ,ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক জোবায়েদ ইবনে রুবেল প্রমুখ। এসময় বক্তাগণ বলেন,৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের পর দেশে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও ক্ষমতার লড়াই চলছিল। সিপাহী ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন গৃহবন্দী জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। তা এই বিপ্লবের মাধ্যমে শেষ হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার মহান স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ক্ষমতা গ্রহণের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ দেশে শান্তি ফিরে আসে,এবং একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়, যা জাতীয় মুক্তি, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও স্বনির্ভর অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করে। তাই এটি জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে পালিত হয়। পাশাপাশি বক্তাগণ কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরিত করাসহ উন্নয়নের নগরী গড়তে তারেক রহমানের আর্শিবাদপুষ্ট ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানে সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।


মন্তব্য