২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
‘আমার মৃত্যুর জন্য জামালগঞ্জের ইউএনও দায়ী’, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসিল্যান্ড সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান এবং পুশইন প্রতিরোধে পৃথক দুটি জনসচেতনতামূলক সভা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৭ বছর তৃণমূলের নির্যাতিত ও ত্যাগিদের মূল্যায়নের দাবীতে যুবদল নেতার খোলা চিঠি রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩, চন্দ্রিমা থানায় এজাহার ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া মাটিতে বিদেশি ফল আনারকলি চাষে সফল উদ্যোক্তা রিমুন উপনির্বাচনে রুহিয়ায় বাবার পক্ষে ধানের শীষের প্রচারণায় মেয়ে ডা. ফাইজা পটিয়ায় নাস্তা কম হওয়ায় শ্বাশুড় বাড়ির নির্যাতনে ৩মাসের অন্ত:সত্বা গৃহবধূর মৃত্যু। সাতকানিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ উত্তেজিত জনতার বাসে আগুন ও ফায়ার সার্ভিস আটকে বিক্ষোভ পটিয়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় পথচারী নিহত। পটিয়ায় লুট হওয়া চিনি লামা হতে উদ্ধার।
আন্তর্জাতিক:
অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
     
             

ভারতের চন্দ্র-আভিযান তিন” প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের জন্য সাহস প্রেরণা ও অনুকরণীয় শক্তি

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

কবি ও লেখক শাহাদাত হোসেন তালুকদারচ ট্টগ্রাম,বাংলাদেশ >>>ভারতের যেকোন উন্নতি অগ্রগতি অর্জন সন্মান ও সংহতি বাংলাদেশের মানুষ অন্তর থেকে গ্রহণ করে থাকেন।এই অঞ্চলের জনগণের মাঝে সর্বদা ভ্রাতৃপ্রেম অনুকরণ অনুধাবন প্রকৃতিগত সামঞ্জস্য সমূহ উভয় দেশের মানুষ একে অপরের সম্পূরক এবং ইহা উভয়ের জন্য অবাধে সমর্থিত,সেটা রাষ্ট্রীয় কি জনগণ উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে। বিজ্ঞান প্রযুক্তিগত আকর্ষণ ও বিশ্বাসে বিশ্ব কাতারে ভারত বরাবরই এগিয়ে।ভারত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে এগিয়ে যাওয়া কিম্বা সন্মান বয়ে আনতে পারা শুধু ভারত নয় বাংলাদেশের মানুষের নিকট পরম প্রাপ্তির আনন্দনুভুতি,কাজে ভারতের যে-কোন কীর্তি ও উন্নয়ন সাধনে বাংলাদেশের সমর্থন সর্বাগ্রে।ভারতের প্রত্যেকটি অর্জনকে বাংলাদেশের মানুষ তৃপ্তি ও প্রাপ্তি হিসাবে মনে করে থাকেন।তাদের নিত্য নতুন আবিষ্কার ও বিষ্ময়ের জন্য আজ পৃথিবী অবাক,আমি মনে করি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অনুকূলে থাকলে বাংলাদেশ ও সবসময় ভারতের সহযোগী হিসাবে সামগ্রিক ভাবে জেগে ওঠা সক্ষম, এবং প্রতিযোগিতা মূলক বিশ্বে চমৎকার একটি দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার জন্য নানা কারণে বাংলাদেশের মেধা ও প্রতিভাকে হিসাব নিকাশে গন্য করতে বাধ্য,ভারতের ইতিহাসকে গর্ববোধের জন্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে অনুকরণ অনুধাবন ও সন্মানের চোখে দেখতে বাংলাদেশের মানুষ সর্বদা উৎগ্রীব। সবচেয়ে বড় কথা ভারতের মেধা ও সম্ভবনা সমূহ তাদের নিজ দেশের স্বার্থে খুঁজে বের করতে সক্ষম,ভারত নিজেদের সামগ্রিক সক্ষমতাকে কার্যত রূপ দেয়ার জন্য উদ্দীপ্ত মেধাবীদের নিজের দেশের জন্য টিকিয়ে রাখতে পারার কারণে ভারতের ধারাবাহিক ভাবে অদ্ভুত ও অভূতপূর্ব সফলতা।বিক্রমের ক্ষুদ্র রেফ্লিকা তৈরির কারিগর ছিলেন পশ্চিম বঙ্গের কেশবপুরের ক্ষুদ্র মোটরসাইকেল মেকানিক প্রসেনজিৎ , সেই মোবাইলের ক্ষুদ্রক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ দ্বারা রেপ্লিকা তৈরি করে ভারতের চন্দ্র-আভিযান তিন এর ISRO সদস্যেদের উৎসর্গ করেছিলেন।অপরজন বাঁকুড়ার কৃষকের ছেলে কৃশানু পৃথিবীতে বসে চন্দ্রপৃষ্ঠে গাড়ি চালাবেন কী আশ্চর্য জনক জ্ঞান বিজ্ঞানের সমন্বয়!তাদের মত আমাদের দেশেও হাজারো ক্ষুদে বিজ্ঞান ভাবাপন্ন মেধা প্রতিভার চড়াচড়ি সত্ত্বেও এসব মেধা কাজে লাগানো কিন্বা পরিব্যপ্তি ঘটানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশে অপ্রতুল কর্মসংস্থানের ফলে সর্বোচ্চ শিক্ষিত ডিগ্রীধারী যোগ্য ছেলে সন্তান নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তার কোন শেষ থাকেনা,ছেলেটির কোথায় কি ভাবে কখন একটি কর্মসংস্থান কপালে জুটে সে অপেক্ষায় থেকে থেকে অবশেষে দিন খুইয়ে যায় সার্টিফিকেটের,সোনার হরিণ বিসিএস সেকথা আর নাইবা বললাম।এই পরিনতির জন্য দায়ি কিন্তু ঐ হাড়ভাঙা খাটুনি ঘাম ঝরানো রিকশাওয়ালা বা শ্রমিক অভিভাবক পিতা নয়,এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী রাষ্ট্র বা সরকার,একজন অনার্স মাষ্টার্স করা ছেলে মেয়েকে কেনইবা জীবন নিয়ে প্রতিনিয়ত ডিপ্রেশনে ভুগতে হবে ?আর কেনইবা একজন সুশিক্ষিত নাগরিককে মা বাবা-র কাছে লজ্জা চেপে সংকোচবোধের জীবন যাপনে বছর কে বছর পার করতে হবে, বাবা মা,পরে পরিবারের হাল ধরার ছেলেটিকে কেন উপরন্তু পরিবারের বোঝা হয়ে থাকতে হবে এবং পরিশেষে সার্টিফিকেট পোড়ানোর মাধ্যমে সরকারকে মেসেজ দিতে হয় আমরা বেকার আমি বড়ই অসহায়,এবং অর্থকষ্ট ও অভাবের কারণে আজ পরিবারের জন্য বড় বোঝা।কেনই বা দেশের উচ্চ শিক্ষিতদের বাধ্যগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, সুইজারল্যান্ড সুইডেন কিম্বা ইউরোপের অন্য কোন দেশকে কর্মসংস্থানের জন্য বেচে নিতে।সেক্ষেত্রে ভারত তাদের শিক্ষিত মানব সম্পদ জ্ঞান বিজ্ঞান বিদ্যানদের জন্য দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ফলে বিশাল মানব সম্পদকে নিজ দেশে ব্যবহার করে বা যথাযথ কাজে লাগাতে সক্ষম বিধায় সর্বদিকে বিশ্ববাসীর নজরে ভারত একটি মেধা সম্পন্ন প্রতিভাধর প্রতিযোগি দেশের নাম।ভারতের মনোভাব চীন পারলে আমরা ভারতবাসী পারবো না কেন,আর ভারতের এই রমরমা উন্নতির গতিধারায় বাংলাদেশের মানুষ খুশিতে আগামীর স্বপ্নে বিভোর থাকেন।ভারতের উন্নতি ও অগ্রগতিকে বাংলাদেশের মানুষ সবসময় প্রেরণা হিসাবে দেখেন, প্রকৃতার্থে ভারত হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য প্রেরণা সাহস ও অনুকরণীয় শক্তি।আমাদের সরকার কর্তৃক উদ্যোক্তা সৃষ্টির কথা আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করে থাকি,প্রকৃতপক্ষে অবাধ উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য সরকার কর্তৃক সুযোগ সুবিধা অনুকূলে থাকলে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতির সাধিত হওয়ার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ,অথচ আমরা এখনও ভারতের উৎপাদিত পন্য পেঁয়াজ রসুন বা আলুতে সামান্য কর বৃদ্ধির খবরে রীতিমতো নাভিশ্বাসে ভোগী।লক্ষ্য করা যায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা চাড়াও বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের জন্য এই দেশের গ্রাম প্রান্তিক অঞ্চলে যে পরিমাণে মেধাবী মানব সম্পদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে অনেক মেধা প্রতিভার সাথে প্রতিনিয়ত পরিচয় হতে সক্ষম হচ্ছি,উহাতে মানুষ প্রতিদিন আবিস্কারের নতুনত্বের সঙ্গে পরিচিতি লাভ করছে।গাঁও গেরামের মেঠো পথের কুঠির আঙিনায় বসে ঘুড়ি উড়ানো সেই বালকটি এখন তার নিজস্ব মেধা ও কারিগরি বুদ্ধিমত্তার প্রচেষ্টায় উড়ো জাহাজ হেলিকপ্টার ড্রোন ইঞ্জিন চালিত যানবাহন কৃষিতে সেচ ও ধান মাড়াইয়ের জন্য নতুন উদ্ভাবন মূলক কারিগরি প্রচেষ্টার সফলতা প্রতিনিয়ত চোখে পড়ে,এসবের জন্য কোন রকম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যতিত হাতুড়ি পেটানো চর্চাতেই অনেক অভাবনীয় ও চমকপ্রদ শৈল্পিক আবিস্কার আমাদের চোখে এসে হাজির হয়, এ সমস্তের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অবাধ কারিগরি শিক্ষা চর্চার সুযোগ সুবিধার মধ্য দিয়ে জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা সাধনে ক্ষেত্র অপ্রতুল বৈকি, তাই সরকারকে আরও এগিয়ে আসা দরকার।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page