১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
পটিয়ায় হামের টিকাদান শুরু। কুমিল্লার দেবিদ্বারে ওয়াহেদপুর সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে সেলাইমেশিন বিভিন্ন উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ। অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা পানছড়িতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ঝড়ের ক্ষত মুছতে রেড ক্রিসেন্ট, আদিতমারীতে অসহায়দের পাশে মানবিক সহায়তা চট্টগ্রামে ৭ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, শুরু ২০ মে ঈদগাহ দিঘির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রতিপক্ষের সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সাংবাদিক সম্মেলন চাটখিলে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সাতকানিয়ায় রাতে প্রশাসনের হানা ইটভাটায় ৪ এস্কেভেটর অকেজো চরিত্র গঠন ও আত্মউন্নয়ন মানুষকে স্থায়ী প্রশান্তি দেয় : হাসনাত আব্দুল্লাহ
আন্তর্জাতিক:
তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে
     
             

৮ম বারের মত চট্টগ্রাম জেলায় শ্রেষ্ঠ বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন।

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

এনামুল হক রাশেদী, বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) থেকেঃ

সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মালে যেমনটা হয়, বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিন পিপিএম ও কি এমন সৌভাগ্য নিয়ে জন্মেছিলেন এ ধরায়। তা হয়ত নয়, কারন যে মাঠে তিনি শ্রেষ্ঠত্বের সোনালী মুকুটে ৮ম পালকটি যুক্ত করলেন, সে মাঠ যোগ্যতা ও পারফর্মেন্স বিবেচনায় চরম প্রতিদ্বন্ধীতার, এখানে সময় ও কাজের নিখুঁত পর্যালোচনা হয়, বিবেচনায় আনা হয় মেধা, যোগ্যতা, কর্মতৎপরতা, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার অনেক মূল্যায়ন। হ্যাঁ, বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ কামাল উদ্দিনের কথাই বলছিলাম, যিনি তাঁর আপন মেধা, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতাকে কাজে লাগিয়ে সময়ের সাথে আপন কর্মস্থলে সদা সক্রিয় থেকে নিজ কর্ম এলাকা বাঁশখালীর প্রান্তিক জনপদে আইন শৃংখলাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রনে রেখে জেলার ১৪ টি থানার ওসিদের পারফর্মেন্স প্রতিযোগিতায় ৮ম বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসাবে সম্মানিত হলেন। যে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটের আলোয় তিনি শুধু একাই আলোকিত হচ্ছেননা, আলোকিত করছেন নিজের টীমকে, একিই সাথে বাঁশখালীবাসিকেও।
২৩ জুলাই’২৩ ইং রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মে ও জুন মাসে চট্টগ্রাম জেলার প্রত্যেকটি থানার কার্যক্রম পর্যালোচনায় বিশেষত অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, দাগী আসামী গ্রেফতার ও বিভিন্ন অপরাধে আইন শৃংখলাকে নিয়ন্ত্রনে রাখার স্বিকৃতি স্বরুপ একিই সাথে দু’মাসের শ্রেষ্ঠত্বের ক্রেস্ট তুলে দিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ বিপিএম। ওসি কামাল উদ্দিন বাঁশখালীতে যোগদানের পর এর আগেও চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র ছয় বার স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। পর পর তিনবার ২০২১ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস এবং ২০২২ সালের জানুয়ারী মাস । ২০২৩ সালের জানুয়ারী, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিসহ ৮ম বারের মত তিনি শ্রেষ্ঠ ওসির মর্যাদায় ভূষিত হলেন। মে জুন মাসের জেলা পুলিশের পর্যালোচনা সভায় ওসি কামাল উদ্দিনের পাশাপাশি বাঁশখালী থানার আরো ৪ জন এসআই এএসআই সেরা হয়েছেন। তারা হলেন, মাদক উদ্ধারের জন্য এস আই রফিকুল ইসলাম, বেশি সংখ্যক মামলা নিস্পত্তির জন্য এস আই মোহাম্মদ মাসুদ, বেশি সংখ্যক পরোয়ানাভূক্ত আসামী গ্রেফতারের জন্য এএসআই মোহাম্মদ খালেক, বেশি সংখ্যক সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতারের জন্য এএসআই আব্দুর রহিম। এর আগে বেশি সংখ্যক মামলা নিস্পত্তির জন্য থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই রাজীব পোদ্দার এবং বেশি সংখ্যক আসামী গ্রেফতারে অবদান রাখায় এএসআই আব্দুল খালেক আগেও পুরস্কৃত হয়েছিলেন।বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাঃ কামাল উদ্দিন পিপিএম- এর কাঁছে তাঁর অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজের সফলতা, প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব এবং স্বিকৃতি পেলে সবারই ভাল লাগে, কিন্তু আমার কাঁছে নিজের অর্জনের ছেয়ে কাজের ফলাফলটাই মুখ্য। বাঁশখালী থানায় আমি ওসি হিসাবে যোগদানের পর থেকে থানার পুলিশ বাহিনী আন্তরিকতার সাথে দলবদ্ধভাবে কাজ করছে বলেই প্রতিমাসে ব্যাপক মাদক, অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়। দাগী আসামীরাও গ্রেফতার হচ্ছে। নিরলস কঠোর পরিশ্রম করে কাজের স্বীকৃতি পেলে কাজে বহুগুণ উৎসাহ বেড়ে যায়। নিজের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পাশাপাশি দেশের মাটি ও মানুষের জন্য ভাল কল্যানকর কিছু করতে পারাটাই আমার জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দ্যেশ্য। বিশেষ করে আইনের পোষাক পরে দেশের সংবিধান ও আইনকে সমুন্নত রাখতেই আমি সবসময় সচেস্ট থাকব।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page