প্রেস বিজ্ঞপ্তি >>> সম্প্রতি কক্সবাজার ও মহেশখালীর কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ফেসবুক পেজে ‘পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ’ সংক্রান্ত একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহেশখালী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের গেরকঘাটা চরপাড়ার বাসিন্দা ও মরহুম হাজী সিরাজুল ইসলাম সওদাগরের সন্তানরা।
প্রচারিত সংবাদে জনৈক নুর উদ্দিন (ওরফে বুলাইয়া/সুমন) তার বড় ভাই, স্ত্রী, ছোট বোন, বোনের স্বামী এবং বড় মহেশখালী ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন জয়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
পৈতৃক সম্পত্তি এখনও অবণ্টিত: প্রতিবাদকারী জানান, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি (ভিটাবাড়ি ও দোকান-সাবেক ইসলামিয়া হোটেল) এখনও তাদের পিতা মরহুম হাজী সিরাজুল ইসলাম সওদাগরের নামেই খতিয়ানভুক্ত (খতিয়ান নং: ২০৩৪ ও ১৫১৩/১)। আইনত যে সম্পত্তি এখনও পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত, তা আত্মসাৎ করার কোনো সুযোগ বা প্রশ্নই আসে না।
প্রকৃতপক্ষে অভিযোগকারী নুর উদ্দিন নিজেই দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বড় ভাইয়ের একটি দোকান জোরপূর্বক দখল করে আছেন। উক্ত দোকানটি বর্তমানে জনৈক মিজান নামক এক ফল ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম এবং মাসিক ১৩ হাজার টাকা ভাড়ায় তিনি ভোগ করছেন বলে জানা গেছে।
প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নুর উদ্দিন একজন চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও ইয়াবা কারবারি। তার ও তার ৪র্থ স্ত্রী হামিদা বেগমের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও মহেশখালী থানায় ৫টি মাদক মামলা ও জিআর মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২৩ সালের বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি পুলিশের হাতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন।
ইয়াবা কারবারে বাধা প্রদান করায় এবং পরিবারকে অতিষ্ঠ করে তোলায় নুর উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাইকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন এবং সামাজিকভাবে হেয় করতে এই ভিত্তিহীন সংবাদ ছড়িয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবাদকারী বলেন,গত ৫ বছর ধরে ছোট ভাইয়ের অত্যাচারে আমি নিজের পৈত্রিক বাড়িতেও যেতে পারছি না। আমি প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিনীত অনুরোধ করছি-আপনারা সরেজমিনে মহেশখালী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের গেরকঘাটা চরপাড়ায় এসে তদন্ত করুন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সামান্যতম সত্যতা মিললে আমি যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত।”
উক্ত মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিবেদক-আবদুর রাজ্জাক,মহেশখালী কক্সবাজার।


মন্তব্য