১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
এমপি শাহজাহানকে গুলির হুমকি হোতা পিএস পটিয়ায় শিশু হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে থানায় বিক্ষোভ মিছিল। পীরগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন। ফলের স্বাদ ও গুণগত মান রক্ষায় জোর চট্টগ্রামের ডিসির পটিয়ায় সম্পত্তির লোভে ২স্ত্রীর হাতে স্বামী খুনের অভিযোগ। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব-স্কাউট শিক্ষক নির্বাচিত কেইপিজেড শিল্প ও প্রকৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধারকৃত ১০১ টি মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল চট্টগ্রামের এসপি মাসুদ ইয়াবা গায়েবের অভিযোগে কোতোয়ালি থানার ওসি আফতাব প্রত্যাহার টেকনাফ বাহারছড়া সড়ক আছে সেতু নাই! বিকল্প পথে স্থানীয়দের যাতায়ত, দেখার কেউ নেই
আন্তর্জাতিক:
হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান
     
             

কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি- ১১বছর পর গাজীপুরে গ্রেপ্তার

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মিজানুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক

কুড়িগ্রামে শিশু চম্পা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিন্টু বসুনিয়া ও স্ত্রী মোর্শেদা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার রাত ২টার দিকে গাজীপুরের বড়বাড়ি জয় বাংলা মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দম্পতির বাড়ি উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের গনকপাড়া গ্রামে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে উলিপুরের দলদলিয়া ইউনিয়নের গনকপাড়া গ্রামে আশরাফ ডাক্তারের পুকুরে মিন্টু বসুনিয়া ও তার বড় ভাই মো. চাঁদ মিয়াসহ কয়েকজন কাজে যান। তখন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বজরুল এর সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়, পরে মারামারি। এতে বজরুল গুরুত্ব অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বজরুল মারা গেছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিন্টু বসুনিয়া ও তার স্ত্রী মোর্শেদা বেগম আপন ভাতিজি চম্পাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন এবং বাড়ির পাশে বাঁশ বাগানে মরদেহ ফেলে দেন। আসামি মিন্টু নিজেই বাঁশ বাগান থেকে চম্পার মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় বজরুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
এর পর উলিপুর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির উল ইসলাম চৌধুরী তদন্তের দায়িত্ব পান। তদন্তের একপর্যায়ে বাদীর আপন ভাই মিন্টুকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ভাতিজিকে হত্যার স্বীকার করেন। তখন মিন্টু ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপন করেন তারা। ১১ বছর পর বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।কুড়িগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর ও হৃদয় বিদারক ঘটনা। আসামী প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেছে। অপরাধী যতই চতুরতা অবলম্বন করুক না কেনো একদিন না একদিন তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে, যার প্রমান সরূপ ২০১৩ সালের শিশু হত্যা মামলার মূলহোতা দম্পতিকে ১১ বছর পলাতক থাকার পর গ্রেফতার করলো উলিপুর থানা পুলিশ যা সম্ভব হয়েছে সুষ্ঠু পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে। নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যহত থাকবে আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করি।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page