‘ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার ৪নং ঢোলারহাট ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন এক স্থানীয় সাংবাদিক। আইন অনুযায়ী লিখিত আবেদন গ্রহণ না করে তা সরাসরি ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে।দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বেলাল হোসেন জানান, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা ফান্ড হতে বিশেষ বরাদ্দের ব্যয় সংক্রান্ত প্রাক্কলন (ইস্টিমেট)-এর তথ্য চেয়ে তথ্য কর্মকর্তা বরাবর আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে ইউপি চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই আবেদনপত্রটি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নাগরিকদের আবেদনের ভিত্তিতে তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক। একজন জনপ্রতিনিধির এমন তথ্যে বাধা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঢোলারহাট ইউপি চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায় জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সুপারিশ ছাড়া পরিষদ থেকে কোনো আবেদন গ্রহণ বা তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। আবেদনকারীকে আগে ইউএনও’র সুপারিশ নিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই বিষয়ে রুহিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলাউদ্দীন জানান, একজন সাংবাদিকের তথ্য অধিকার আইনে যে কোন তথ্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদ কতৃপক্ষের আবেদন গ্রহণ না করার কোন সুযোগ নেই।স্বাধীন সাংবাদিকতায় বাধা এবং নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা বিষয়টি নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও রুহিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।





মন্তব্য