১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক:
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে পৃথিবীর চমক ইরান
     
             

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জিরো পয়েন্টে নান্দনিকতার ছোঁয়া: ডিসি জাহিদের উদ্যোগে নতুন প্রাণ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

আব্দুল্লাহ আল মারুফ।। চট্টগ্রাম নগরের ইতিহাসের সাক্ষী এবং প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ‘কোর্ট হিল’ এলাকার জিরো পয়েন্ট ফিরে পেয়েছে তার হারানো জৌলুস। দীর্ঘদিন অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়ে থাকা এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি সংস্কারের পর এক নতুন নান্দনিক রূপ ধারণ করেছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদুল ইসলাম মিঞার বিশেষ উদ্যোগে সংস্কার কাজ শেষে গত শনিবার (৭ মার্চ) এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “একটি জাতির সংস্কৃতি ও ইতিহাসের শেকড় কতটা গভীরে, তা নির্ধারিত হয় তার ঐতিহ্যের মাধ্যমে। আমাদের ইতিহাস আগামী প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এসব স্মৃতিস্তম্ভ সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”তিনি আরও যোগ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর কোর্ট হিল পরিদর্শনে গিয়ে জিরো পয়েন্টের বেহাল দশা দেখে তিনি এর সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেন। চট্টগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু চিহ্নিত করার এই স্তম্ভটি কেবল একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসের অংশ।জিরো অনুষ্ঠানে জিরো পয়েন্টের ইতিহাস তুলে ধরে জানানো হয় ব্রিটিশ আমলে চট্টগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু এবং দূরত্ব পরিমাপের সুবিধার্থে এই বিন্দুটি নির্ধারণ করা হয়।বাণিজ্যিক সংযোগ: ১৮৬০ সালে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম বন্দরের যাত্রা শুরুর পর বাণিজ্যিক কার্যক্রমের প্রসারের সাথে সাথে এই জিরো পয়েন্টের গুরুত্ব বাড়তে থাকে।নির্মাণকাল: নব্বইয়ের দশকে বর্তমান কাঠামোটি প্রথম নির্মিত হয়। এরপর ২০০১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ছোটখাটো সংস্কার হলেও বড় ধরনের কোনো আধুনিকায়ন হয়নি।জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জিরো পয়েন্টকে এখন দর্শনার্থী ও পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে এটি কেবল একটি মাপকাঠি নয়, বরং নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের অন্যতম প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণে জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।পরিশেষে ডিসি জাহিদ এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সকল কর্মকর্তা ও সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নগরবাসীকে এই ঐতিহ্য সংরক্ষণে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

 

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page