আনিছুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক >>> বাঁশখালী: স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার দক্ষিণ জলদী (আদর্শগ্রাম) এলাকায় উন্নয়নের তেমন কোনো ছোঁয়া লাগেনি। প্রতিদিন জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে একটি জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে অত্র এলাকার শত শত ছাত্র-ছাত্রী ও হাজারো মানুষকে।২৮ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ জলদী এলাকার এই নড়বড়ে সাঁকোটিই ১০ মহল্লার জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়েই স্কুলে যায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। শুধু শিক্ষার্থী নয়, কৃষক-কৃষাণী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ প্রতিদিন এই মরণফাঁদ হয়ে ওঠা সাঁকোটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও বৃদ্ধদের নিয়ে পারাপার হতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের।এই জনদুর্ভোগ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদর্শগ্রাম প্রবাসী সমাজ উন্নয়ন একতাসংঘের প্রবাসী সদস্যবৃন্দ। সংগঠনের পক্ষে মোঃ ইউনুস, মোঃ আবু বক্কর, নুর মোহাম্মদ, আবুল বশর, মোক্তার হোসেন, আবু বক্কর (২), নূর মোহাম্মদ (২), মোঃ হেলাল, আব্দুল মজিদ, মোঃ সরোয়ার, মোঃ কাউছার, মোঃ ফুরখান, মোঃ ছগীর, মোঃ ইসমাইল, মোঃ রিদুয়ান, মোঃ জাহেদ, মৌ মুবিনুল হক, মোঃ ইলিয়াস, জব্বর আহমদ ও আবু তাহের জানান, দীর্ঘ সময় ধরে একটি স্থায়ী ব্রিজের জন্য দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।প্রবাসীরা আক্ষেপ করে বলেন, “দেশের অনেক জায়গায় বড় বড় উন্নয়ন হলেও আমাদের এই অবহেলিত এলাকায় যাতায়াতের জন্য ন্যূনতম একটি টেকসই সেতু তৈরি হয়নি। আমাদের সন্তানেরা প্রতিদিন ভয় নিয়ে স্কুলে যায়, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।একে অন্যের হাত ধরি, দারিদ্রমুক্ত সমাজ গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আদর্শগ্রাম সমাজ উন্নয়ন একতাসংঘ আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রবাসীদের প্রাণের দাবি, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে বাঁশখালী পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।


মন্তব্য