স্টাফ রিপোর্টার মোঃ বাছির আহমদ,সিলেট জাফলং>>> সিলেটের পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় ৫ টি উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক শ্রমিক মানবেতর জীবন-যাপন পার করছেন।সিলেটের জাফলং,ভোলাগঞ্জ,লুভাছরা,শ্রীপুর ও বিছানাকান্দি, পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় কোয়ারী সংশ্লিষ্ঠ ৫টি উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ছে।মানবেতর জীবন-যাপন করছে।পরিবেশ ধ্বংশের অভিযোগ নানা আইনী জটিলতায় সিলেটর জাফলং,শ্রীপুর ভোলাগঞ্জ,বিছানাকান্দি,ও লুভাছরা,পাথর কোয়ারী দীর্ঘ দিন থেকে বন্ধ রয়েছে ফলে নিম্বম আয়ের মানুষ অর্থাৎ শ্রমিকদের পরিবারে নেমে এসেছে হাহাকার।পাথর কোয়ারী বন্ধের কারণে খেটে খাওয়া শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।শ্রমিকরা বেলচা, টুকরীসহ প্রতিদিন কোয়ারী এলাকায় কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসলেও সারাদিন অপেক্ষা করে কোথাও কাজ না জুটায় ফিরতে হয় নিরাশ হয়ে।দেশের সর্ববৃহৎ পাথর কোয়ারী ভোলাগঞ্জ,জাফলং,বিছনাকান্দি ও শ্রীপুরসহ সব কয়টি কোয়ারী এলাকার কয়েক লক্ষ শ্রমিকের বর্তমান চিত্র।কোয়ারী সচল থাকলে সিলেটসহ দেশের ১০থেকে -১২ লক্ষ শ্রমিক কাজ করে নিজের জীবন মান উন্নয়নসহ দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিকে আরো মজবুত করেন।শুধু শ্রমিক নয়,বেকায়দায় পড়েছেন এবার ব্যবসায়ীরাও।দীর্ঘ দিন থেকে কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় পাথরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বেকার হয়ে পড়েছেন।বন্ধ হতে চলেছে জাফলং,ধূপাগুল,ভোলাগঞ্জসহ উত্তর সিলেটের ক্রাসিং জোন এলাকা।কোয়ারী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় ওই সব ক্রাসারের শ্রমিক শূন্য হয়ে পড়েছে।পাথর সংশ্লিষ্ট পেশা ছাড়া অন্য কোন পেশা জানা না থাকায় সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর কানাইঘাট এলাকার পাথর শ্রমিক পরিবারে চরম অভাব দেখা দিয়েছে।পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন হত দরিদ্র শ্রমিকেরা।বিভিন্ন মানববন্ধন কর্মসূচীতে শ্রমিকেরা ‘ভাত চাই না হলে কাজ চাই’ এই শ্লোগানে দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুশিল সমাজের সুদৃষ্টি কামনা করছেন


মন্তব্য