নিউজ ডেক্স>>>চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় চিনি কারখানায় লাগা আগুন এখনো পুরোপুরি নেভাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।কারখানার যে গোডাউনে আগুন লেগেছে,সেটি থেকে অন্য কোথাও ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই বলেও জানা গেছে।মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়।ঘটনাস্থলে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৪টি ইউনিট আগুন নির্বাপণে প্রাণপণ কাজ করে যাচ্ছে।যে গুদামে আগুন লেগেছে,সেটি থেকে কালো রঙের লাভার মতো কিছু বের হচ্ছে,যেটি আশেপাশের খাল-নালায় ছড়িয়ে পড়ছে।বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনো পুরোপুরি নেভেনি।আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনো ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করছে।এর আগে কর্ণফুলী নদীর চরলক্ষ্যা এলাকার ওই কারখানায় সোমবার বিকাল ৪টার দিকে আগুনের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিস জানায়,ওই চিনির কারখানায় আগুন লাগার পর সোমবার বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে তারা সংবাদ পায়।এর পর কর্ণফুলী মডার্ন ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি, চন্দনপুরা থেকে দুটি,কালুরঘাট থেকে দুটি,আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের একটিসহ মোট ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।পরে ফায়ার সার্ভিসের আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।এ ছাড়া নৌ,বিমান ও সেনাবাহিনীও যোগ দেয় আগুন নেভানোর কাজে।আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করা ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা বলেন,যেহেতু কারখানার ভেতরে আগুন জ্বলছে এবং সেখানে ভেতরে গিয়ে পানি ছিটানো সম্ভব না।তাই হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো গেলে দ্রুত আগুন নির্বাপণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।না হয় সহসাই আগুন নির্বাপণ করা সম্ভব হবে না।আগুন লাগার পর সোমবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আনোয়ার পাশা ও চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাবের একাধিক টিম উপস্থিত ছিল।এদিকে আগুন লাগার কারণ তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল মালেক মুত্তাকিম বলেন,তদন্ত কমিটিকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।


মন্তব্য