আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক >>> আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) ট্রাস্টি বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের (জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস) প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভীকে চেয়ারম্যান মনোনীত করে ট্রাস্টি বোর্ডের এই রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন দেয়।৪ এপ্রিল’২৪ ইং বৃহস্পতিবার ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন অনুমোদনে রেজিস্ট্রেশন পাওয়ায় আ.ন. ম. শামসুল ইসলাম এমপি’র নেতৃত্বাধীন আইআইইউসির ট্রাস্টি বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে গেল। আইআইউসি’র রেজিস্ট্রার এএফএম আখতারুজ্জামান কায়সার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আইআইইউসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীকে চেয়ারম্যান মনোনীত করে ট্রাস্টি বোর্ডেকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করে। এর আগে ২০২১ সালের মার্চে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভীকে আইআইইউসি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে চিঠি দিয়ে নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করতে অনুরোধ করা হয়। ওই চিঠির প্রেক্ষিতে আইআইইউসি ট্রাস্টি বোর্ডের দায়িত্ব নেন প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভী।চট্টগ্রাম সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাবেক সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভীর নেতৃত্বে আইআইইউসি ট্রাস্টি বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আইআইইউসি’তে জামায়াতের আধিপত্য ভেঙে দেওয়া হয়। গড়ে তোলা হয় একাডেমিক পরিবেশ। খ্যাতিমান শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত হয় ট্রাস্টি বোর্ড।নতুন ট্রাস্টিবোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে বিভিন্ন নাশকতার ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতাদের প্রশাসনের সব স্তর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে। একাডেমিক সেক্টর ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে হাতে নেওয়া হয় প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প। গবেষণাখাতে আমুল পরিবর্তনের লক্ষ্যে নেওয়া হয় বিশেষ উদ্যোগ। অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে বিভিন্ন পর্ষদ ও কমিটি গঠন করা হয়েছে নতুন করে আইআইইউসির একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, নতুন ট্রাস্টিবোর্ড ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করেছে হয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও বঙ্গবন্ধু রিসার্চ সেন্টার। সাংসদ নদভীর নেতৃত্বে নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের পর এভাবেই বদলে গেছে আইআইইউসির চিত্র।(২৬ এপ্রিল ২০২৪)আইআইইউসির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামকে আমরা এশিয়া মহাদেশের জ্ঞানচর্চার একটি সমৃদ্ধ ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করেছি। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবদান রাখতে পারে সেই উপযোগী একটি প্রতিষ্ঠান আমরা বিনির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি এই প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে একাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু করেছি। অবকাঠামো উন্নয়নে ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প আমরা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মননে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করেছি মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার ও বঙ্গবন্ধু রিসার্চ সেন্টার। যেগুলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতে ছিল না। ইউজিসি ইতোমধ্যে রেড মার্কিংও তুলে নিয়েছে। আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের মোরালিটি ডেভেলপমেন্টের জন্যও বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।


মন্তব্য