২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান ১৬ বছরের পলাতক খুনি গ্রেফতার জবির অর্থনীতি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের শিক্ষা ও পাঠ্যক্রম সম্পাদক নির্বাচিত ড. শাহজাহান মজুমদার চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সদস্য সনদ বিতরণ লালদীঘিতে বাঘা শরিফের দাপট ১১৭তম আসরেও সেরা। সাতকানিয়ার পরিবেশ রক্ষায় এমপি জসিম উদ্দীনের ৫ দফা ঘোষণা নোয়াখালীর চাটখিলে উপজেলা বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত সখিপুরে কৃষকদের সার, বীজ ও খামারীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রামে জব্বারের বলিখেলা ও বৈশাখী মেলা হরেক রকম পণ্যের বিপুল সমাহার র‌্যাবের জালে মহেশখালীর ত্রাস ফজইল্যা ডাকাত ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির পৃথক ঘটনায় সাতকানিয়ায় ৪ জন আটক
আন্তর্জাতিক:
লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু
     
             

কুতুবদিয়ার হাবিবের প্রতারণায় নিঃস্ব নরসিংদীর ইমদাদুল হক

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

আব্দুর রাজ্জাক কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি >>> কক্সবাজার কুতুবদিয়া ধুরং বাজারের হাবিব ধর্মের ভাই ডেকে কৌশলে ৩,২৫,৫৩৮ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছে ৷কক্সবাজার কুতুবদিয়া ধুরং বাজারে মেসার্স হাবিব উল্লাহ ষ্টোর এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবীব পিতা হাজী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম সরদার। বাবা পুত্র দুইজনের নামে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে,ভুক্তভোগী এমদাদুল হক বলেন ধুরং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আমার সাথে ২০১৮ সালের মে মাসে তাহার সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে তাহার সাথে আমার ব্যবসায়িক সুত্রপাত ঘটে। প্রথমে সে আমার সাথে ক্যাশ ( কন্ডিশনে)ব্যবসা বাণিজ্য করবে বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করে , আমি ও তাহাতে সম্মতি প্রদান করে। এই ভাবে কিছু দিন চলতে থাকে। পরবর্তী সময়ে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি হলে আমার নিকট থেকে আরও বেশি করে কীটনাশক ঔষধ নিতে শুরু করে। পরে ২০১৮ সালের ১৫/১১/১৮ইং নভেম্বর মাসে আমার কাছে থেকে আমার কোম্পানির চালান করে তাকে ৩,২৭,৪০০/=তিন লক্ষ সাতাশ হাজার চারশত টাকার মালামাল পাঠানো হয়। যার চালান নাম্বার হচ্ছে ৪৭/ক ঐ চালানের প্রেক্ষিতে উক্ত টাকা হতে তিন বারে ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২০০০০০ লক্ষ টাকা প্রদান করে। পূর্ববর্তী এক লক্ষ ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪০০ টাকা বাকি রেখে পুনরায় কিছু মাল দেওয়ার জন্য আমাকে অনুরোধ করে। এবং সে আমাকে প্রতিশ্রুতি প্রদান করে যে নতুন মাল দেওয়ার সাথে সাথে পূর্বের বকেয়া টাকা আমাকে পরিশোধ করে দিবে।
এমত অবস্থায় আমি আবারো ১১/০১/২০১৯ ইং কোম্পানির চালান পেডে চালান করে,১,৯৮,১৩৮/ এক লক্ষ আটানব্বই হাজার টাকার মালামাল পাঠাই। যার চালান নাম্বার হল ৯৩/ক , তাহার কিছুদিন পরে হাবিব আমাকে কক্সবাজার নিয়ে যায় টাকা দেবে বলে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে। আমিও হাবিবের অনুরোধে কক্সবাজার রওনা দিলাম।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে হাবিব আমাকে ভাই ডেকে কক্সবাজার নিয়ে যায়। টাকা দিবে আমি ও কক্সবাজার গিয়ে হাবিবকে বারবার ফোন করার পরে ও সে একবারের জন্য আমার মুঠো ফোনটি রিসিভ করেনি। পরবর্তীতে আমি যখন ঢাকায় চলে আসি ৫ দিন পর সে আমাকে বলছে আমি একটা বড় বিপদে পড়ে গেছিলাম তাই আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি। পরবর্তীতে হাবিবের বাবা হাজী নুরুল ইসলামের ও তার বড় ভাই জসিম ভাইয়ের সাথে চট্টগ্রাম জি ও সির মোড়ে সাক্ষাৎ করি। বড় ভাইয়ের অনুরোধে পরবর্তীতে হাবিব আমাকে টাকা দিচ্ছি দিব এই বলে আমাকে মোবাইলে মেসেঞ্জারে একাধিক মেসেজ দিয়েছে কিন্তু আমাকে কোন টাকা দেয়নি। যার ফলে আমি হাবিবের প্রতারণায় শিকার হয়ে। ২০২১ সালে কোম্পানির চাকরি হাড়িয়ে জেল জরিমানা দিয়ে আমি ইমদাদুল হক আজকে নিঃস্ব হয়ে যায়। এই ব্যাপারে আমাকে টাকা দিবে এই মর্মে শতাধিক লেখা ও মেসেজ ভয়েস রয়েছে, উক্ত ভোক্তভোগি প্রতারক হাবিব এর নিকট ৩,২৫,৫৩৮ টাকা না পেয়ে ভোক্তভোগি প্রতারক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন।এদিকে প্রতারক হাবিব এর সাথে মেট্রো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ,আমি তার কাছ থেকে মাল নিয়েছি কিন্তু আমাকে খারাপ মাল দিয়েছে,তাই ওনাকে আমি টাকাগুলো দিই নাই৷তবে তার মাল আমার কাছে আছে আমি এগুলো ডাক যোগে ফেরত পাঠাবোআর অবশিষ্ট যেই টাকা পাবে সেটা আমি তাকে দিয়ে দিব,এবং তার সাথে যোগাযোগ করব,দুই বছর পর মাল কেন ফেরত দিবেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে ,তিনি জানান আমার এখান থেকে মাল ফেরত পাঠানো খুবই কষ্টকর তাই ফেরত পাঠাতে পারেনি ৷এই কথা বলার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে ৷এদিকে ভুক্তভোগী ইমদাদুল হক বলেন,আমার কোম্পানির মাল খারাপ হলে সেই সাথে সাথে মাল ব্যাক করে নাই কেন, তখন আমার মালগুলো ব্যাক করলে আমি কোম্পানিকে মালগুলো বুঝিয়ে দিতাম ,আজকে ৩ বছর পর সে বলতেছে মালগুলো ব্যাক দিবে,তার হাতে থাকা অবস্থায় মালগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে এখন তো ফেরত নেওয়ার সম্ভব নয়,কারণ কোম্পানি এটা গ্রহণ করবে না ৷সে আমার সাথে চরম প্রতারণা করছে ৷কারণ সে মালগুলো বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করছে ৷আমি অন্য ডিস্ট্রিকের লোক বিদায় সে আমার টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে ৷আমি শীঘ্রই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব ৷

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page