আনোয়ার হোসেন, কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব” এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০মার্চ)সকালে দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে ও কিশোরগঞ্জ এপি,ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় বর্ণাঢ্য র্যালি,আলোচনা সভা ও অগ্নিকাণ্ড মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অগ্নিকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধ সতর্কতামূলক নির্দেশিকার লিফলেট বিতরণ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মী কতৃক অগ্নিকাণ্ড নির্বাপক বিষয়ক নানা কলা তুলে ধরা হয়।পরিশেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লতিফুর রহমান,কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান, উপজেলা শাখার জামায়াতের আমীর আব্দুর রশিদ শাহ্, শিশু নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক বুলবুল আহমেদ,কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোস্তাফিজুর রহমান, কিশোরগঞ্জ এপির প্রোগ্রাম অফিসার সুরেশ কুমার রায় ও জেমস্ ম্যানুয়েলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী প্রমুখ। আলোচনা সভার সভাপতিত্বে ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া ভূমিকম্পসহ নানা দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতি ও করনীয় নানা দিক তুলে ধরে তার বক্তব্য বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রধান করণীয় হলো দুর্যোগের পূর্বাভাস মেনে চলা, প্রস্তুতি হিসেবে খাদ্য,পানি, টর্চ লাইট সঙ্গে রাখা। নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া এবং গবাদি পশু নিরাপদে রাখা। দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে,বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ রাখা এবং শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সাথে রাখার খুবই জরুরি। উল্লেখ্য, দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এ দিবসটি পালিত হয়।


মন্তব্য