২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
​ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের খামখেয়ালি নাকি অবহেলা? ভেঙে যাওয়া ব্রিজেই চলছে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল চাটখিলে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কমিটি সদস্য হলেন সাবেক ছাত্র নেতা বাবু ও মাসুদ রানা চাটখিলে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের নগরকান্দায় পিতা কর্তৃক প্রবাসী ছেলের বউকে তালাক সুনামগঞ্জে মারামারির ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যে যাচাই করে ন্যায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন চট্টগ্রামে ঘুসের টাকাসহ দুদকের হাতে সাব-রেজিস্ট্রার গ্রেফতার চাটখিলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পীরগঞ্জে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার পটিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন অচেনা অজ্ঞাত এক বৃদ্ধরোগী। রাজশাহী মোহনপুরে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
আন্তর্জাতিক:
জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা: নিহত ৩১, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সেবায় অটল ইউএনআরডব্লিউএ, কার্যক্রম বন্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চিত্র: দুবাইয়ের ট্রানজিট প্রবণতা ও নতুন ডিজিটাল নিয়ম নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: ১৫৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ চার শতাধিক জাতিসংঘের ভোকেশনাল কেন্দ্রে ইসরাইলি বাহিনীর তল্লাশি, অগ্নিনির্বাপণে বাধা বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত: ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ
     
             

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর।

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী>>> বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর।নব্বই দশকের আগেও প্রায় সব গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর।এ কাচারি ঘর ছিল গ্রাম বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ।কিন্তু কালের বিবর্তনে এ কাচারি ঘর সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে।এখন গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই কাচারি ঘরের দেখা পাওয়া যায় না।সাধারণত কাচারি ঘর স্থাপিত হয় বাড়ির সামনে।এতে বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।অতিথি,পথচারী, মুসাফির,সাক্ষাৎপ্রার্থী ও বাড়ির ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার ঘর হিসেবে কাচারি ঘর ব্যবহার হতো।এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম্য কাচারি ঘর সচরাচর তেমন চোখে পড়ে না। জানা গেছে, এক সময় গ্রাম-বাংলার অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থের আভিজাত্যের প্রতীক ছিল কাচারি ঘর।চারচালা টিনের অথবা ছনের ছাউনি দিয়ে বাড়ির সামনে তৈরি হতো এ ঘর।কাচারি ঘরে থাকতেন আবাসিক গৃহশিক্ষক বা লজিং মাস্টার। সকালবেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হতো এ ঘর।এছাড়া সালিশ বৈঠক,গল্প-আড্ডা,পথচারী ও মুসাফিরদের বিশ্রামাগার হিসেবে কাচারি ঘরের ব্যাপক ব্যবহার প্রচলিত ছিল।গ্রামের অনেক যায়গায় এখনও ঐতিহ্যবাহী পুরোনো কাচারি ঘর কালের সাক্ষী হয়ে আছে।প্রায় প্রতিটি রাতে কাছারি ঘরওয়ালা বাড়িতে আসত অনাত্মীয়- অচেনা কোনো মুসাফির। ভেতর বাড়ি থেকে শোনা যেত কোনো অচেনা মুসাফিরদের কণ্ঠ বাড়িতে কেউ আছেন ?কাছে এলে বলত : থাকবার জায়গা হবে ? “অনেক রাত, বাড়িতে যাওয়া যাবে না” এই কারণেই বাঙালিরা হয়ে উঠেছিল- অতিথি পরায়ণ।তাই বিলুপ্ত হচ্ছে শতবর্ষের ঐতিহ্য কাছারি ঘর নামে খ্যাত বাহির বাড়ির বাংলো ঘরটি।এখন সবাই শহর কেন্দ্রীক।নিজেদের পরিবার নিয়েই সবাই ব্যস্ত।বাবা দাদার ঐতিহ্য নিয়ে মোটেও মাথা ব্যাথা নেই। বাবা দাদার সম্পদ ঠিকই বিক্রি করে নিয়ে যায় নিজের আভিজাত্য আরও অভিজাত করার জন্য।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page