২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বাঁশখালীতে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ ২ লাখ টাকা জরিমানা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি কয়েকদিন তীব্র গরমের পর চট্টগ্রামে স্বস্তির বৃষ্টি চট্টগ্রামে কিলোমিটারে বাস ভাড়া ২.৫৩ টাকা দূরপাল্লায় টোলসহ নতুন হিসাব সখিপুরে দুই দিনে ক্ষ্যাপা কুকুরের কামড় খেয়ে ৫৫ জন হাসপাতালে সাতকানিয়ায় মুখোশধারীদের হামলায় চা দোকানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু সাতকানিয়ায় অবৈধ দুই ইটভাটায় অভিযান জরিমানা ও চুল্লী অকার্যকর বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান ১৬ বছরের পলাতক খুনি গ্রেফতার জবির অর্থনীতি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের শিক্ষা ও পাঠ্যক্রম সম্পাদক নির্বাচিত ড. শাহজাহান মজুমদার চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সদস্য সনদ বিতরণ
আন্তর্জাতিক:
দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা
     
             

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর।

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী>>> বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর।নব্বই দশকের আগেও প্রায় সব গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ছিল কাচারি ঘর।এ কাচারি ঘর ছিল গ্রাম বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ।কিন্তু কালের বিবর্তনে এ কাচারি ঘর সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে।এখন গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই কাচারি ঘরের দেখা পাওয়া যায় না।সাধারণত কাচারি ঘর স্থাপিত হয় বাড়ির সামনে।এতে বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।অতিথি,পথচারী, মুসাফির,সাক্ষাৎপ্রার্থী ও বাড়ির ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার ঘর হিসেবে কাচারি ঘর ব্যবহার হতো।এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম্য কাচারি ঘর সচরাচর তেমন চোখে পড়ে না। জানা গেছে, এক সময় গ্রাম-বাংলার অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থের আভিজাত্যের প্রতীক ছিল কাচারি ঘর।চারচালা টিনের অথবা ছনের ছাউনি দিয়ে বাড়ির সামনে তৈরি হতো এ ঘর।কাচারি ঘরে থাকতেন আবাসিক গৃহশিক্ষক বা লজিং মাস্টার। সকালবেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হতো এ ঘর।এছাড়া সালিশ বৈঠক,গল্প-আড্ডা,পথচারী ও মুসাফিরদের বিশ্রামাগার হিসেবে কাচারি ঘরের ব্যাপক ব্যবহার প্রচলিত ছিল।গ্রামের অনেক যায়গায় এখনও ঐতিহ্যবাহী পুরোনো কাচারি ঘর কালের সাক্ষী হয়ে আছে।প্রায় প্রতিটি রাতে কাছারি ঘরওয়ালা বাড়িতে আসত অনাত্মীয়- অচেনা কোনো মুসাফির। ভেতর বাড়ি থেকে শোনা যেত কোনো অচেনা মুসাফিরদের কণ্ঠ বাড়িতে কেউ আছেন ?কাছে এলে বলত : থাকবার জায়গা হবে ? “অনেক রাত, বাড়িতে যাওয়া যাবে না” এই কারণেই বাঙালিরা হয়ে উঠেছিল- অতিথি পরায়ণ।তাই বিলুপ্ত হচ্ছে শতবর্ষের ঐতিহ্য কাছারি ঘর নামে খ্যাত বাহির বাড়ির বাংলো ঘরটি।এখন সবাই শহর কেন্দ্রীক।নিজেদের পরিবার নিয়েই সবাই ব্যস্ত।বাবা দাদার ঐতিহ্য নিয়ে মোটেও মাথা ব্যাথা নেই। বাবা দাদার সম্পদ ঠিকই বিক্রি করে নিয়ে যায় নিজের আভিজাত্য আরও অভিজাত করার জন্য।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page