৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মাদক ও চুরি বিরোধী সুনামগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নবাসির আয়োজনে প্রতিরোধমূলক সভা অনুষ্ঠিত বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করার কারনে সৃষ্টি হয়েছে —ব্যারিস্টার খোকন এমপি টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ গেল ফরিদপুরের সেনা সদস্য তিতাসের তুমি আমাকে ভালোবেসে ক্ষমা করে দিও মহেশখালীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস( সিজন ২) শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় হোটেল-রেস্টুরেন্টে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম মনিটরিং রামুতে মাতৃপুষ্টি সহায়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জামালপুরে নারিকেল গাছে উঠে বিপাকে চোর, উদ্ধারে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মা-শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নাগেশ্বরীতে ১৪০ স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার’ নির্বাচিত হলেন এসআই জহির আমিন
আন্তর্জাতিক:
জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে যাচ্ছেন সাতকানিয়ার তরুন মোঃ তহীদুল ইসলাম মাছুম ইসরাইলের জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির সঙ্গে আরজেএফ প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক জোনের প্রথম কারখানা চালু হবে ১৮ মাসের মধ্যেই অনুমোদন ছাড়াই কেরানীহাটে বাণিজ্য মেলা: অচল মহাসড়ক ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান
     
             

কালের বিবর্তনে দক্ষিণ অঞ্চলের কৃষকদের বিলুপ্তির পথে লাঙ্গল জোয়াল ও গরু দিয়ে জমি চাষ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ আরাফাত তালুকদার জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী।

পটুয়াখালী দক্ষিণ অঞ্চলে লাঙল আর গবাদি পশু দিয়ে হাল চাষ কালের বিবর্তনে প্রায় বিলুপ্তির পথে। এক সময় কৃষি উৎপাদন ও চাষাবাদের অন্যতম উপকরণ হিসেবে কাঠের লাঙ্গল আর গবাদি পশু কৃষকদের ছিল একমাত্র মাধ্যম। একসময় লাঙল ছাড়া গ্রাম বাংলায় চাষাবাদের কথা চিন্তাই করা যেত না। এখন আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি (ট্রাক্টর) সে স্থান দখল করায় দিনে দিনে হারিয়ে যেতে বসেছে কাঠের লাঙ্গল আর গবাদি পশু দিয়ে চাষাবাদের সেই দৃশ্য। আগের দিনে গরু দিয়ে হাল চাষ ও ধান মাড়াইয়ের যে আনন্দ ছিল, বর্তমানে সেই আনন্দ এখন অনেকটা ভাটা পরে গেছে।সর্বত্রই লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষি উৎপাদনেও চলে এসেছে আধুনিক।এতে যেমন কৃষকের পরিশ্রম কম হয়, তেমনি সময়ও বেঁচে যায়। এখন আর গরু দিয়ে ধান মাড়াই এবং হাল চাষের দেখাই মেলে না। পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরলেও আগের মতো গরু দিয়ে হালচাষের এমন দৃশ্যের দেখা মিলেনি। এক সময় রাঙ্গাবালী সহ আশেপাশের প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোতে চাষাবাদের অন্যতম উপকরণ হিসেবে কাঠের লাঙ্গল ও গবাদি পশুর ব্যবহার ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। লাঙ্গল ছাড়া গ্রাম-বাংলায় চাষাবাদের কথা চিন্তা করা যেত না। বিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তির ছোয়ায় কাঠের লাঙ্গল এর সেই স্থান দখল করে নিয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি। ক্ষেতে খামারে কৃষকের লাঙ্গল ও মই দিয়ে চাষাবাদের দৃশ্য সবার নজর কাড়তো এক সময়। হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য চাষাবাদের বহু ব্যবহারিক লাঙ্গল আজ বিলুপ্তির পথে। আধুনিক যুগে চাষাবাদের যান্ত্রিক উপকরণ আবিষ্কারের ফলে হারিয়ে যাচ্ছে লাঙ্গল জোয়াল, মই ও হালের বলদ। এসবের ব্যবহার সল্প আয়ের কিছু সংখ্যক কৃষক পরিবারে মধ্যে এখনো কোন রকমে টিকে রয়েছে। দেখা যেত খুব ভোর বেলা প্রান্তিক কৃষক তার ঘাড়ে লাঙ্গল জোয়াল আর মই রেখে এক হাতে গরু শাসনের লাঠি আর অন্য হাতে চাষাবাদের উপযুক্ত দুই বলদের দড়ি ধরে রেখেছে। চাষাবাদ শেষ করে কাদামাখা শরীরে ক্ষেতের আইলে বসে সকালের পান্তা আর কাচা মরিচ পিয়াজ দিয়ে ভাত খেয়ে পেঠের ভোগ নিবারণ করতেন কৃষক। বিশ্রাম শেষে আবার ও কৃষকের ঠাই ঠাই শব্দ শোনা যেত। অনেক সময় দেখা যেত নিজের সন্তানকে মইয়ে বসিয়ে চাষাবাদের জমি সমান করার জন্য ষাড় গরু দিয়ে দাবড়ানো যেন ছোট বেলার স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেয়।বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে কৃষি কাজে জায়গা করে নিয়েছে যান্ত্রিক যন্ত্র পাওয়ার টিলার। অতি অল্প সময়ে কৃষকের সমস্ত জমি চাষাবাদ সম্পূর্ণ করা যায় এই যন্ত্রের মাধ্যমে। কৃষকের কাঠের লাঙ্গলের চাষ যান্ত্রিক যন্ত্রের চেয়ে যে দ্বিগুণ ভালো তা বলার অবকাশ রাখে না। এখন আর এ অঞ্চলের গ্রাম গঞ্জে কালের সাক্ষী লাঙ্গল, জোয়াল, মই ইত্যাদি সরঞ্জাম সাজিয়ে বাজারে বসতে দেখা যায় না বিক্রেতাদের। অতীতের সেই খামারের ঠক ঠক শব্দও আর কানে আসে না। রাঙ্গাবালী উপজেলার গাববুনিয়া গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গরুর লাঙ্গল দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ জমি চাষ করা সম্ভব হতো। আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙ্গলের চাষ গভীর হয়। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষাবাদ করতে সার কীটনাশক সাশ্রয় পায়। কিন্তুু আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন আর কেউ গরু দিয়ে হাল চাষ করতে চায় না। আধুনিক প্রযুক্তিতেই সবাই চাষাবাদ করছেন। স্মার্ট বাংলাদেশে আরো আধুনিকতা তৈরী হতে পারে বলেও জানা যায়।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

মাদক ও চুরি বিরোধী সুনামগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নবাসির আয়োজনে প্রতিরোধমূলক সভা অনুষ্ঠিত
বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করার কারনে সৃষ্টি হয়েছে —ব্যারিস্টার খোকন এমপি
টেকনাফে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ গেল ফরিদপুরের সেনা সদস্য তিতাসের
তুমি আমাকে ভালোবেসে ক্ষমা করে দিও
মহেশখালীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস( সিজন ২) শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
চকরিয়ায় হোটেল-রেস্টুরেন্টে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম মনিটরিং
রামুতে মাতৃপুষ্টি সহায়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
জামালপুরে নারিকেল গাছে উঠে বিপাকে চোর, উদ্ধারে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস

You cannot copy content of this page