এম নুর নবী আহমেদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন>>> নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় জামায়াত-শিবিরের সাত নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল কাদের মির্জাসহ ১১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আবেদন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রামপুর ইউনিয়নের নিহত জামায়াত কর্মী সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো. আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ২ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি করেন।আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন অভিযোগটি মামলা হিসেবে (এফআইআর) রেকর্ড করতে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাসহ ১১২ জনের নামোল্লেখ করা হয়।এরমধ্যে কাদের মির্জার রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা ছাড়াও তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. নুরুজ্জামান,থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলামসহ ১৯ পুলিশকে আসামি করা হয়েছে।মামলার এজাহারে বাদী আমিরুল ইসলাম জানান,২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিকেলে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরের প্রতিবাদে বসুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির।এতে আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার সহযোগীরা অস্ত্র হাতে মিছিলে হামলা চালায়।অন্যদিকে একই সময় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের নির্দেশে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সফিকুল ইসলাম,এসআই শিশির কুমার, এএসআই উ ক্য সিং।মামলার বাদী মো. আমিরুল ইসলাম বলেন,আমি এবং আমার ভাই সাইফুল ইসলাম জামায়াতের সক্রিয় কর্মী।আমরা ঘটনার সময় দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করি।এতে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার সহযোগী ও প্রশাসনের গুলিতে আমার ভাইসহ সাতজন ঘটনাস্থলে মারা যায়।রাজনৈতিক চাঞ্চল্যকর এ মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম আরও বলেন, ঘটনার পর আমরা এ হত্যার বিচার চাইলেও আসামিরা ক্ষমতাবান রাজনৈতিক প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো বিচার পাইনি।এমনকি গত ১০/১১ বছর ভুক্তভোগী নিহতদের পরিবারের লোকজন বাড়িঘরেও থাকতে পারেনি।


মন্তব্য