নজরুল ইসলাম চট্টগ্রাম দক্ষিণ প্রতিনিধি >>>সাতকানিয়া থানাধীন ১১ নং কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের,মাঈঙ্গা পাড়া,সাঙ্গু নদীর পাড়ে বাড়ি,আমির হামজার ( রিক্সা চালক) ২য় মেয়ে কলেজ শিক্ষার্থী মোছাঃ তৈয়বা আকতার বয়স ২১,গত ২২/১০/২২ ইংরেজী কলেজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দোহাজারীতে এক সড়ক দূর্ঘনায় গুরুতর আহত হয়ে শরিরে মেরুদন্ড সহ আহত হয়,আহত অবস্হা প্রথমে সাতকানিয়া কেরানীহাট আশশেফা হাসপাতালে নিয়ে তাকে চিকিৎসাক, চট্রগ্রাম মেডিকেল পাটানো হয়,প্রায় ৫ মাস এর বেশী সময় ধরে চিকিৎসার চলে,অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসার করা সম্বভ হয়নি তৈয়বার,বাড়িতে নিয়ে আসার পর আজ প্রায় ১০ মাস ধরে বিছানায় শুয়ে আছেন কলেজ শিক্ষার্থী তৈয়বা অাকতার,বার আমির হামজার সাথে কথা বলে জানা গেল,আমির হামজা বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন কে বলেন,আমি একজন রিক্সাচালক আমি আমার পরিবারে ১০ সদস্য,৭ মেয়ে ১ ছেলে নিয়ে অভাব অনটনে আছি,আগে রিক্সা চালাতাম,এখন নিজে অসুস্ত এখন রিক্সা চালাতে পারি না,আমার মেয়ে একজন ভালো শিক্ষার্থী ছিলেন,আমার মেয়ের অবস্হা এখন আরো খারাফ,শরীলে ভিবিন্ন অংশে পচন ধরেছে,আমার মেয়েকে আমি বাচাঁতে চাই কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারলে আমার মেয়ে তৈয়বা আকতার মারা যেতে পারে,কলেজ শিক্ষার্থী তৈয়বার সাথে কথা বরে জানা গেল,তৈয়বা আকতার বলেন,আমি একজন ভালো শিক্ষার্থী আমি বাচাঁতে চাই,আমি আবারও লেখাপড়া করতে চাই,আমি সবার সাথে হাঁসিখুসি কথা বলতে চাই,আমার বাবা আমির হামজা রিক্সা চালাক,আমাকে চিকিৎসার করানোর জন্য বাবার অত টাকা নেই, ৪-৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন, তাই আমাকে আপনারা সবাই আমার চিকিৎসার জন্য সাহায্য করুন,,বাবার মোবাইলঃ ০১৮১৫-১৮৬৬২২ বিকাশ,,মেয়ে-তৈয়বা আকতার, মোবাইলঃ ০১৮৩৯-৪৩২৪৬৩ নগদ,,,,
মন্তব্য