আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক >>> বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, গান পাউডার ও অস্ত্র বিক্রয়লব্ধ প্রায় তিন লক্ষ টাকাসহ কুখ্যাত কক্সবাজার জেলা ডাকাত সর্দার ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নুরুল আবছার ওরফে ডাকাত আবছারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী মনসুরকে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন ঘোনারপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫ কক্সবাজার
১। র্যাব-১৫, কক্সবাজার দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অপরাধ নির্মূলে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। দায়িত্বাধীন এলাকা কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় হত্যা, ধর্ষণ, জঙ্গী, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, জলদস্যু, ডাকাত, চুরি-ছিনতাই, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক, অপহরণ ও বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ১৫ মার্চ ২০২৪ রাত ২ ঘটিকার সময় কক্সবাজার রামু গর্জনীয়া ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড এই অভিযান পরিচালনা করা হয় ৷
গ্রেফতারকৃত ডাকাত মনছুর আলম (২০)
বান্দরবান জেলা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার
বাইশারী ইউনিয়ন ওয়ার্ড-০৮ থিমছড়ি এলাকার-আব্দুল খালেকের ছেলে ৷
কক্সবাজার র্যাব ১৫ সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান৷
কক্সবাজারের কুখ্যাত ডাকাত সর্দার আবছার ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসা ও ভাড়া দেওয়ার কাজে যুক্ত রয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর গোয়েন্দা দল অনুসন্ধান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন গর্জনিয়া ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডস্থ ঘোনারপাড়ার মোঃ নুরুল আবছার ওরফে আবছার এর বসত ঘরের ভিতর কতিপয় দুষ্কৃতিকারী বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ০২.২০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৫, সিপিএসসি ক্যাম্পের আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি বুঝতে পেরে সুচতুর ডাকাত আবছার পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তার দেহরক্ষী মনছুর আলম (২০) কে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব।পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত মনছুরের দেহ তল্লাশী করে ০১টি এলজি এবং পলাতক ডাকাত আবছার এর বসত ঘর তল্লাশী করে ০৬টি ওয়ান শুটার গান,০২ রাউন্ড গুলি, ২০০ গ্রাম গান পাউডার এবং অস্ত্র বিক্রয়লব্ধ ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মনছুর কুখ্যাত আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নুরুল আবছার ওরফে ডাকাত আবছারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করে বলে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত মনছুর ও পলাতক আসামী পরস্পর পরস্পরের সহযোগীতায় বিভিন্ন মাধ্যমে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ এবং নিজেদের হেফাজতে মজুদ করে থাকে। এসকল অস্ত্র-গোলাবারুদ নিজেদের ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহারসহ দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজার শহর এবং শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-গোলাবারুদ বিক্রি করে জানায়।
উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকত অপরাধী মনছুর আলম এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।


মন্তব্য