সানিফ চৌধুরী, হাটহাজারী >>> চট্টগ্রাম শহর থেকে হাটহাজারী হয়ে হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, খাগড়াছড়ি, রাংগামাটি সহ উত্তর চট্টগ্রামের লাখো মানুষের প্রতিদিনের যাতায়াত এই মহাসড়কে, দৈনিক অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের আসা যাওয়া চলে। কিন্তু হাটহাজারী বাজারের উপর দিয়ে এই মহা সড়কে বছরের পর বছর তীব্র যানযটের কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ কর্ম ঘন্টা, অর্থ ও সময় নষ্ট হচ্ছে।হাটহাজারী বাজার চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র, বিশাল বাজার,বড় মাদ্রাসা সহ লাখ লাখ মানুষের সমাগম আর যানবাহনের ভিড় থাকে। এর উপর দিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে ফটিকছড়ি, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি সহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করা হয়। কিন্তু হাটাজারী বাজারের উপর দিয়ে যাওয়া মহা সড়কের যান জটের কারণে প্রতিদিন মানুষের জীবন যেন হুমকির মুখে পড়ছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যেতে সময়মত পৌঁছাতে পারছে না, ব্যবসায়ীরা সময়মত তাদের পণ্য পরিবহন করতে পারছে না,রোগী- চিকিৎসকরা সময়মত হাসপাতালে পৌঁছাতে পারছে না এমনকি এম্বুল্যান্স কিংবা ফায়ার সার্ভিস সহ ইমারজেন্সি পরিবহন গুলোও সময়মতো জরুরি কাজে যেতে পারছেন না। তার মধ্যে সংকীর্ণ রাস্তার পাশেই ফুটপাত দখলকারীরাতো আছেনই।এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে হাটাজারী বাজারের উপর দিয়ে (শেরে বাংলার মাজার থেকে মাদ্রাসা পর্যন্ত) একটা ফ্লাই ওভার নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।এ ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে যানযট কমবে, মানুষের সময় বাঁচবে, অর্থনৈতিক ক্ষতি কমবে। এছাড়াও এ ফ্লাই ওভার নির্মাণ করা হলে উত্তর চট্টগ্রামের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে, এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে দাড়িয়ে গাড়ির জ্বালানির মারাত্বক অপচয় হয়। বিঘ্নিত স্বাভাবিক জীবন যাত্রা।কয়েকজন ব্যবসায়ী ও পথচারীর সাথে চাটগাঁর সংবাদ জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন “এই রাস্তার যানজট হত্তে শেষ অইবু ন জানি। আওয়ামীলীগ আইলিও যেল্লে, বিএনফি আইলিও এল্লে।””হাটহাজারীর যাম আর মানুষ নু অইলু যে এরি।”সরকারের প্রতিও চাঁটগার পত্রিকার মাধ্যমে অনুরুধ জানিয়েছেন অনেকেই যাতে অতি শীঘ্রই এই সমস্যা নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়।


মন্তব্য