১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত চতুর্থ নয়, অবস্থান ষষ্ঠ: সংসদে স্বীকারোক্তি প্রেক্ষাপট: হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সমীকরণ: ইরানের শক্ত অবস্থান কি মেনে নিচ্ছে জিসিসি? কাজে বিশ্বাসী, আশ্বাসে নয়: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে চুয়েট ভিসি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্টে বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকরা টোক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বককর সিদ্দিক কিরণ আড়ালিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত। কোটি টাকার সড়কে জলাবদ্ধতা, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ—বিল নিয়ে ঠিকাদার-পৌর নির্বাহীর দ্বন্দ্ব নেদারল্যান্ডসের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জাভি হার্নান্দেজ রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ ডিজিটাল আস্থার সংকট: অনলাইন প্রতারণা ও নিরাপদ নাগরিকতার প্রশ্ন দোহা-বাহরাইন রুটে কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইট: বিশ্বের স্বল্পতম দূরত্বের এ৩৫০ যাত্রা
আন্তর্জাতিক:
প্রেক্ষাপট: হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন সমীকরণ: ইরানের শক্ত অবস্থান কি মেনে নিচ্ছে জিসিসি? দোহা-বাহরাইন রুটে কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইট: বিশ্বের স্বল্পতম দূরত্বের এ৩৫০ যাত্রা দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি সত্ত্বেও জুনে ইউক্রেনের সামরিক সহায়তায় বড় উল্লম্ফন ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাবের মুখে কঙ্গো: সতর্কবার্তা ডব্লিউএইচও’র তীব্র খরা ও দাবানলে বিপর্যস্ত ইউরোপের অর্থনীতি: জিডিপি হ্রাসের আশঙ্কা সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় পরিবারকে সময় দিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব ছাড়ছেন ক্যারোলাইন লেভিট ফিলিস্তিন ইস্যুকে বিশ্বমঞ্চ থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে ইসরাইল: এরদোগান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে পাকিস্তান বিদেশি রেফারিদের যৌনসেবা দিতো কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা
     
             

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত চতুর্থ নয়, অবস্থান ষষ্ঠ: সংসদে স্বীকারোক্তি

  

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে বলে মোদি সরকার দীর্ঘদিন ধরে প্রচার চালিয়ে আসছিল। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছর এই দাবি করেছিলেন। এমনকি গত বছরের শেষদিকে সরকারি বিভিন্ন সূত্র থেকে জানানো হয়েছিল যে, জাপানকে পেছনে ফেলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সে সময় ভারতের অর্থনীতির আকার ৪.১৮ ট্রিলিয়ন ডলার বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি ভারতের সংসদে সরকারের দেয়া নতুন তথ্যে আগের সেই সব দাবির সাথে বড় ধরনের অমিল পাওয়া গেছে।

ভারতের অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারতের অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার বা আইএমএফের তথ্যের ভিত্তিতে এই চিত্র উঠে এসেছে। সরকারের এই স্বীকারোক্তির পর বিরোধী দলগুলো মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। বিরোধীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বর্তমান সরকার প্রকৃত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণে বেশি ব্যস্ত এবং অর্থনীতিকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে না।

পঙ্কজ চৌধুরি ব্যাখ্যা করেছেন যে, আইএমএফ মূলত নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতে এই ক্রমতালিকা তৈরি করে, যা মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময় হারের ওপর নির্ভরশীল। কোনো দেশের অর্থনীতির অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে মুদ্রার মান, বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি এবং নিজস্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো কাজ করে। গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার, যার ফলে আইএমএফের তালিকায় দেশটি ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদি সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল ভারতকে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা। যদিও সেই লক্ষ্যমাত্রা এখনও অর্জিত হয়নি, তবে দেশটি ৩.৯২ লক্ষ কোটিতে পৌঁছেছে। ব্যাঙ্কিং বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে পারে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে মোদি সরকার, যা রাজনৈতিকভাবে তাদের জন্য বড় সুবিধা বয়ে আনতে পারে। এই প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে পারলে সরকার বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দেয়ার মতো শক্তিশালী হাতিয়ার পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছরই একথা জানিয়েছিলেন।

বিরোধীরা অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার শুধুই নিজেদের এজেন্ডা পূরণের চেষ্টায় ব্যস্ত।

প্রাথমিকভাবে মোদি সরকার টার্গেট করেছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতকে পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হিসাবে তুলে ধরা।

অর্থনীতির র‌্যাঙ্কিং বদলের নেপথ্যেও বেশ কয়েকটি কারণ থাকে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page