১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রামে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে রহমানিয়া স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি বিদায় সংবর্ধনা কক্সবাজারের সংগীতাঙ্গনে নতুন বিস্ময় শিল্পী ইফতি পাহাড়ে তিন দিনের বিজু উৎসব সম্পন্ন বড়দুয়ারা ব্রীজে জনতার হাতে মাদকসহ কারবারি পাকড়াও সাতকানিয়ায় রহমানিয়া দরবার শরীফের ২৫তম বার্ষিকী ও দস্তরবন্দী সম্পন্ন। সাগরের গানে মুগ্ধ কুড়িগ্রাম টাউন পার্ক সাতকানিয়ায় অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার, ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড পটিয়ায় খালে পাওয়া মহিলা লাশটির বাড়ি কক্সবাজার। চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে বিদেশি মদ ও সাড়ে ১২ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত
আন্তর্জাতিক:
তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে
     
             

বিদ্যা বিমুখ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

কলমেঃ-নাজিম উদ্দিন >>>
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
আমি নাজিম উদ্দিন আমার বাড়ি লালমনিরহাট জেলা সদর। একদিন আমি জেলাপরিষদ থেকে বিডিআর গেট যাওয়ার জন্য একটি অটোতে উঠে বসি যাত্রী আমি একা। অটোচালক ছিল এক সুদর্শন যুবক বয়স ২৫-২৬ শীতের রাত অনুমানিক নয়টা ছেলেটা আমার সাথে বেশ শুদ্ধ ভাষায় কথা বলছিল। আমি আমার আগ্রহবশত: ছেলেটাকে তার বাড়ির কথা জিজ্ঞেস করায় সে বলল তার বাড়ি ফুল গাছ তারা তিন ভাই সকলেই বিএ পাস করেছে, তার বাবা বহু কষ্ট করে তাদেরকে বিএ পাস করান তাদের বাবা পেশায় কৃষক।তাদের বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল ছেলেরা লেখাপড়া করে একদিন অনেক বড় হবে তখন আর তাকে মাঠে কাজ করতে হবে না।ছেলেটা হঠাৎ উচ্চ স্বরে ক্ষোভ মিশ্রিত কন্ঠে বলতে শুরু করলো, আচ্ছা বলেন তো আঙ্কেল আমার বাবা যে এত কষ্ট করে আমাদের তিন ভাইকে লেখাপড়া শিখালো এবং আমরা এত কষ্ট করে যে লেখাপড়া শিখলাম এতে আমাদের কি লাভ হল। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন তোমরা চাকরির জন্য চেষ্টা করো নি, ছেলেটি বলল আমরা সকলেই চাকরির জন্য চেষ্টা করেছি কিন্তু পাইনি।
বিশ্বাস করেন আঙ্কেল আমি খুব ভালো ছাত্র ছিলাম আমার রেজাল্ট ও ভালো তিন তিনবার ভাইবা থেকে ফেরত এসেছি কোন এক অদৃশ্য কারণে আমার চাকরি হয়নি আপনি তো সবই বোঝেন কেন চাকরি হয়নি।
এই দুঃখে আমি আর চাকরির জন্য দরখাস্ত করিনি সিদ্ধান্ত নেই আমি একটি অটো কিনব এবং ব্যবসা করব কারণ চাকরি আমাদের ভাগ্যে নেই। জানেন আঙ্কেল আমি এর মধ্যে বিয়ে করেছি আমার দুটো ছেলে এবং আমি প্রতিজ্ঞা করেছি আমার ছেলেদেরকে শুধু ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়াবো তার বেশি নয়।
তাদেরকে হাতের কাজ শেখাবো তারা যেন কিছু করে খেতে পারে। আমাদের তো আর মামা খালু নেই তাই শুধু শুধু লেখাপড়া করে সময় নষ্ট করে লাভ কি? আমি আড় চোখে দেখতে পেলাম তার চোখ ভিজে গেছে সে লুকিয়ে তার চোখের পানি মোছার চেষ্টা করছে। এবং কান্না জড়িত কন্ঠে বলতে লাগল আঙ্কেল আমার এখন সরকারি চাকরি করার কথা ছিল কিন্তু কিছু অসৎ লোকের কারণে বর্তমানে আমি অটো ড্রাইভার। ছেলেটির কথা গুলো শুনে আমি ভাবতে লাগলাম এসব দেখার জন্যই কি আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম।এখন আপনারাই বলেন ওই ছেলেকে সান্ত্বনা দেওয়ার মত আমার মুখে কি কোন ভাষা আছে।
(আসুন আমরা সকলেই সৎ ভাবে চলি এবং সোনার বাংলা গরি)।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page