১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আমানত ফেরতের দাবিতে চট্টগ্রামে গ্রাহকদের বিক্ষোভ উন্নত যোগাযোগই উন্নয়নের চাবিকাঠি: এমপি শাহজাহান চৌধুরী পটুয়াখালীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার। চট্টগ্রামে ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানে হামলা ও টাকা লুট: গ্রেফতার ৯ চট্টগ্রাম বন্দরে গ্যান্ট্রি ক্রেনের ক্যাবল ছিঁড়ে দুমড়ে মুচড়ে গেছে ট্রেইলার ও কন্টেইনার জয়পুরহাটে ডিবি পুলিশের হাতে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শঙ্খ চরে বালুর নিচে ৮১ কোটি টাকার স্বপ্ন: নিঃস্ব হাজারো কৃষক একটি ভালো সমাজ গড়া আমাদের সবার দায়িত্ব — শামা ওবায়েদ সিএনজি ও ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চলাচলে সিএমপির ৫ নির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামযোগ্য কনটেইনারের জট, আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা অনেক প্রতিষ্ঠানের
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

বান্দরবানে ৯ মাস নেই সিনিয়র সিভিল জজ: স্থবির দেওয়ানি বিচারব্যবস্থা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।। বান্দরবান দেশের তিন পার্বত্য জেলার অন্যতম বান্দরবানে বিচারব্যবস্থায় এক অস্বাভাবিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। জেলার একমাত্র সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দীর্ঘ ৯ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। ফলে দেওয়ানি বিচারব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। বিচারক সংকটের কারণে পাহাড়ের হাজার হাজার মানুষের আইনি প্রতিকার পাওয়ার পথ এখন অনিশ্চিত।আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন সিনিয়র সিভিল জজ মোহাম্মদ দাউদ হাসান পদোন্নতি পেয়ে বদলি হন। এরপর থেকে দীর্ঘ ৯ মাস অতিবাহিত হলেও এই পদে নতুন কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর ফলে:নতুন মামলা দায়ের থেকে শুরু করে সাক্ষ্যগ্রহণ ও চূড়ান্ত রায় প্রদান-সবই থমকে আছে। নিষেধাজ্ঞা বা স্থিতাবস্থার মতো জরুরি বিষয়েও কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন বিচারক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কিছু মামলা দেখলেও কাজের চাপে তা নিয়মিত শুনানি করা সম্ভব হচ্ছে না।বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু জাফর জানান, জেলার প্রায় ৯০ শতাংশ দেওয়ানি মামলাই এই আদালতের আওতাভুক্ত। এমনকি গ্রাম আদালতের রায়ের আপিল নিষ্পত্তির একমাত্র জায়গাও এটি। বিচারক না থাকায় পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা নেমে এসেছে।সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এই পরিস্থিতিকে সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন,সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি নাগরিকের দ্রুত ও ন্যায্য বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। ৯ মাস ধরে বিচারক না থাকা আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।পাহাড়ি এই জনপদে ভূমি বিরোধ এবং পারিবারিক কলহ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। দীর্ঘদিন বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় স্থানীয়ভাবে এসব বিরোধ আরও জটিল আকার ধারণ করছে। দেওয়ানি আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাজীব চন্দ্র ধর বলেন, বিচারপ্রার্থীরা বছরের পর বছর ঘুরছেন, কিন্তু প্রতিকার না পেয়ে অনেকে হতাশ হয়ে পড়ছেন।বিচারপ্রার্থী এবং আইনজীবীদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই শূন্য পদে একজন দক্ষ বিচারক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিচারক নিয়োগে আরও বিলম্ব হলে জেলায় মামলার পাহাড় জমে যাবে এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page