সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি >>> রাজশাহীর তানোরে আমন ধানে হঠাৎ করে কারেন্ট পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকেরা। প্রতিনিয়ত কারেন্ট পোকার আক্রমণ থেকে আমন ধান বাঁচাতে সকাল বিকেল জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা কৃষকরা। ফলে কারেন্ট পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা। অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিসের কোন উপসহকারী(বিএস) কর্মকর্তাদের মাঠে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ডেকেও সাড়া পাচ্ছেন না কৃষকরা। এতে করে কারেন্ট পোকার আক্রমণ থেকে আমন ধান বাঁচাতে কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ না পাওয়ায় চরম হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকরা।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন আমনের মাঠ ঘুরে দেখা যায় কারেন্ট পোকার এমন দৃশ্য। কারেন্ট পোকার আক্রমণ থেকে আমন ধান বাঁচাতে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক স্প্রে করছেন কৃষক। আমনের মাঠে গিয়ে বেশকিছু কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে,অন্যবছরের তুলনায় এবছর আমন ধান চাষের জন্য কৃষককে তেমন হয়রানির শিকার হতে হয়নি। এবার আমন রোপণের সময় থেকে পানির সমস্যা না হলেও সার পটাশের সংকট ও দামও বেশি ছিল। তার পরেও কষ্ট হলেও বেশি দামে সার পটাশ কিনে আমন ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। কিন্তু হঠাৎ করে কারেন্ট পোকার আক্রমণে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের স্বপ্নের ফসল আমন ধান। বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছেনা। যার জন্য কারেন্ট পোকার আক্রমণ নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছে তানোর উপজেলার কৃষকরা। অথচ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা রয়েছেন উদাসীন।মাঠে দেখা মিলছেনা উপসহকারী কর্মকর্তাদের। এমনকি অফিসে গিয়েও কোন কর্মকর্তার সুপরামর্শ পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ফলে কৃষকরা নিজে নিজে বাজার থেকে বিভিন্ন কীটনাশক কিনে এনে জমিতে ব্যবহার করছেন। এতে তেমন ফলপ্রসূ হচ্ছেনা কৃষকের। তানোর উপজেলার যশপুর গ্রামের কৃষক আশরাফুল, ইনছান আলী জানান, যেভাবে আমন ধানে কারেন্ট পোকা আক্রমণ করছে তাতে কৃষকের খরচ জুটবে কি না তা নিয়ে শঙ্কিত আছেন তাঁরা। তাঁরা আরো বলেন, বাজারে যে ভাবে কীটনাশক বিক্রি হচ্ছে তাতে কোনটা আসল আর কোনটা নকল কীটনাশক বোঝা বড় দায় হয়ে পড়েছে।কারেন্ট পোকার আক্রমণ নিয়ে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা হলে কোন কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।











মন্তব্য