সরওয়ার কামাল কক্সবাজার-
বড় মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে চাকার নিচে পড়ে আনোয়ার হোসেন (২৫) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ফকিরাঘোনা মিয়াজির পাড়া বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আনোয়ার হোসেন বড় মহেশখালীর মুন্সীর ডেইল এলাকার মৃত তজু মিয়ার ছেলে। । তিনি বড় মহেশখালীর ‘বুশরা ডেকোরেশন’ দোকানে প্রায় দেড় বছর ধরে কাজ করতেন। জানা গেছে, মাত্র ৯ মাস আগে তিনি বিয়ে করেছেন এখনো কোন সন্তান হয়নি।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, সকালে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বের হয়ে আনোয়ার বুশরা ডেকোরেশন দোকান থেকে মালামাল বোঝাই করে ট্রলি গাড়ি নিয়ে ফকিরাঘোনায় চলমান কাজে মালামাল দিয়ে আসার পথে মিয়াজির পাড়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রলি গাড়িটির এক চাকা উল্টে যায় এবং তিনি চাকার নিচে পড়ে যান।বুশরা ডেকোরেশনের মালিক জাহাঙ্গীর জানান, সকালেই তিনি তার দোকানের ৬ জন স্টাফকে বিভিন্ন চলমান কাজে পাঠিয়েছিলেন। আনোয়ারকে মালামাল নিয়ে ফকিরাঘোনায় কাজের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল। তিনি বলেন, হঠাৎ করে এমন দুঃসংবাদ আসবে কল্পনাও করিনি। ছেলেটা খুবই ভালো ছিল, আমার দোকানে কাজ করছে প্রায় দেড় বছর হবে।হাসপাতালে নিয়ে আসা এক ব্যক্তি জানান, আনোয়ারকে মুমূর্ষু অবস্থায় চাকার নিচে পড়ে থাকতে দেখে তারা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আনোয়ারের সহকর্মীরা জানান, তিনি খুবই ভালো ছেলে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই কাজ করতে গিয়ে তার হাত ভেঙে গিয়েছিল, সেখান থেকে সুস্থ হয়ে মাত্র কয়েকদিন হলো কাজে ফিরেছিলেন। এক সহকর্মী বলেন, এমন সংবাদ পেয়ে ছুটে এসেছি, খুব কষ্ট লাগছে। আমরা সবাই মিলে পিকনিকে যাওয়ার জন্য তার জন্যও জার্সি অর্ডার দিয়েছিলাম, এখন সেই জার্সিও তার স্মৃতি হিসেবে রয়ে যাবে।প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত আনোয়ারের মরদেহ বর্তমানে মহেশখালী হসপিটালে রয়েছে।এ মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে সড়কে ট্রলি গাড়ির চলাচলে সতর্কতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজন।





মন্তব্য