২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বন্দর স্কুল মাঠে আমীরে জামায়াতের জনসভা গণজোয়ারে উঠেছে জনতার দলের কলম প্রতীক । চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনরত আরও সাত কর্মচারী বদলি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারাঃ আন্দোলনে বিশেষ মহলের ইন্ধনের আশঙ্কা বন্দর মুখপাত্রের রাজশাহী দামকুড়ায় পলাশ মেম্বার হত্যা সীমান্ত এলাকা থেকে ২ আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব চট্টগ্রামে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান প্রার্থী এজেন্টদের উপস্থিতিতেই পোস্টাল ব্যালট স্ক্যানিং, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশী কোম্পানীকে ইজারাঃ আন্দোলনে অচল বন্দর, মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষনা “একবার সুযোগ দিন, উন্নয়ন করে দেখাবো” — নেছারাবাদে সোহেল মনজুর সুমন তানোরের মুন্ডুমালা বাজার থেকে গ্রামগঞ্জে ধানের শীষের গণসংযোগ
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • কক্সবাজার >> চট্টগ্রাম >> জাতীয় >> দেশজুড়ে
  • কক্সবাজারে সমন্বয়কদের দুই গ্রুপের সমঝোতা বৈঠকে হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • কক্সবাজারে সমন্বয়কদের দুই গ্রুপের সমঝোতা বৈঠকে হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    আবদুর রাজ্জাক।। কক্সবাজারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে । মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতের আঁধারে শহরের কলাতলী আবাসিক হোটেল ইউনি রিসোর্টে সমন্বয়কদের ‘সমঝোতা’ বৈঠকে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের কলাতলী ইউনি রিসোর্ট হোটেলে সমন্বয়কদের বৈঠকে রিয়াদ মনির নামের একজন সমন্বয়কের অশালীন আচরণকে ঘিরে এই হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই সময় রিয়াদ মনিরকে মারধর করা হয়।ওই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়ক খাঁন তালাত মাহমুদ রাফিসহ চট্টগ্রাম থেকে আসা ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সমন্বয়কদের কয়েকজনকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়।সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে দুইটি গ্রুপ কাজ করছিল। এই গ্রুপিংকে ঘিরে মাঝে মাঝে উত্তেজনা তৈরি হয়। এই গ্রুপিংয়ের সমাধান করার জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেল ইউনি রিসোর্টে সভা ডাকা হয়েছিল। এই সভায় উপজেলা সমন্বয়করাও যোগ দেন। এতে অতিথি হয়ে আসেন ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম সমন্বয়ক খাঁন তালাত মাহমুদ রাফি।সূত্রমতে, ওই সভা চলাকালে সমন্বয়করা যখন নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করছিলেন সেই সময় অন্যতম সমন্বয়ক রিয়াদ মনির অশালীন ভাষায় গালাগাল দেন। এতে সমন্বয়কদের বিবদমান দুইটি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। উত্তেজনার মধ্যে সেই সভা শেষ করা হলেও হোটেলের সামনে এসে দুইটি গ্রুপ হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এই সময় সমন্বয়ক রিয়াদ মনিরকে মারধর করা হয়। উক্ত বৈঠকে সমন্বয়কদের অন্যতম শহিদুল ওয়াহেদ শাহেদ, রবিউল করিম, শাহেদ মোহাম্মদ লাদেনসহ ৪০ জনের মতো সমন্বয়ক উপস্থিত ছিলেন।কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল করিম নোমানের নেতৃত্বে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ওই সময় ওসি নোমান বিবদমান সমন্বয়কদের থানায় গিয়ে বিষয়টি বসে সমাধানের প্রস্তাব দিলে সমন্বয়করা থানায় যান।এই ব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হিমেল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ছাত্র সমন্বয়কদের কাউকে আটক করা হয়নি।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page