মো:সোহেল রানা ত্রিশাল উপজেলা প্রতিনিধি>>> দুর্গাপূজা উপলক্ষে ত্রিশালের বাজারে গুড় ও নারকেলের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা ঘিরে চলছে নানা আয়োজন।মা দুর্গার আগমনকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূজা-অর্চনায় ব্যস্ত। দেবীকে বরণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও, দশমীতে দেবী বিদায় নেওয়ার আগপর্যন্ত চলবে এই মহোৎসব।তবে এবার পূজায় গুড় ও নারকেলের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।পূজার প্রসাদ তৈরি এবং অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি,নাড়ু,মোয়া প্রভৃতি প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে নারকেল ও গুড়।ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী,মা দুর্গার পূজায় ফলমূল,নারকেল,মোয়া এবং নাড়ু উৎসর্গ করা হয়,যা পূজা আয়োজনের অপরিহার্য অংশ।ফলে এই উপকরণগুলোর বাজারে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।ত্রিশালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে,বর্তমানে প্রতি কেজি গুড় বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে, আর নারকেল আকার ও মানভেদে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়।ক্রেতারা বলছেন, পূজাকে সামনে রেখে বাজারে গুড় এবং নারকেলের দাম বেড়ে গেছে।অনেকেই পূজার জন্য বড় অর্ডার দিয়ে রাখছেন,আবার কেউ কেউ বাসায় নিজেই তৈরি করছেন নাড়ু-মোয়া।এই প্রসঙ্গে এক স্থানীয় বিক্রেতা জানান, “প্রতিবছর পূজার সময় গুড় ও নারকেলের চাহিদা বাড়ে।তবে এবার বিশেষ করে ত্রিশালের বাজারে দাম বেশি বেড়েছে।পূজার আয়োজন ও প্রসাদ তৈরির জন্য বেশি নারকেল ও গুড় লাগছে, তাই বিক্রি ভালো হচ্ছে।”পূজা-অর্চনার পাশাপাশি অন্য ধর্মের লোকজনও যোগ দিচ্ছেন উৎসবের আনন্দে।অনেকেই পূজার নিমন্ত্রণে অংশ নিচ্ছেন এবং মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়িত হচ্ছেন।এতে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপিত হচ্ছে।দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর আগের সময় পর্যন্ত এই উৎসবের আমেজ ও গুড়-নারকেলের চাহিদা তুঙ্গে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


মন্তব্য