আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক>>> কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের মাধ্যমে জিম্মি করে ঘের দখল,অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যতম মূলহোতাসহ চার অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।সোমবার (০১ জুলাই) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজতে থাকা ১০টি দেশীয় অস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।মঙ্গলবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠারো র্যাবের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।আটককৃত-ডাকাত দলের সর্দার বেলাল হোসেন, তার দুই ভাই কামাল আহম্মেদ ও আব্দুল মালেক ও ডাকাত দলের সদস্য নুরুল আমিন।কক্সবাজার র্যাব ১৫’র দাবি, কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সময়এই ডাকাত দলের সদস্যরা লবণ ও চিংড়ি ঘেরে চাঁদা আদায় করতো।ক্ষেত্রবিশেষ তারা এসব ঘের জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছিল।১৯ জুন অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ মৌজার গোলদিয়ায় ১০ একরের সাতটি ঘেরে হানা দিয়েছে তারা।একপর্যায়ে এ সময় শতাধিক ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।অস্ত্রের মুখে ঘের কর্মচারীদের জিম্মি ও হাত-পা বেঁধে ফেলা হয় এবং শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।এমতাবস্থায় পরবর্তীতে একে একে সব ঘেরগুলো দখলে নেয় সন্ত্রাসীরা।ঘটনার পর সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি শুরু করে র্যাব ১৫ কক্সবাজার।গত রাতে র্যাব চকরিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ত্রাসী ও ডাকাত দলের প্রধান বেলাল হোসেনসহ চারজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতি, চিংড়ি ঘের দখল ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে তারা।উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে- তিনটি একনলা বন্দুক,একটি দো’নলা বন্দুক দুটি দেশি এলজি,চারটি ওয়ান শুট্যারগান,৫২ রাউন্ড গুলি ও নগদ ৮০ হাজার টাকা।র্যাব জানিয়েছেন,বেলাল দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী।তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম,চাঁদাবাজি,ছিনতাই,জমি দখল,ঘের দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯টি মামলা রয়েছে।এছাড়াও তার ভাই কামালের বিরুদ্ধে ছয়টি,মালেকের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা আছে বলেও জানান র্যাব।


মন্তব্য