আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক >>> চট্টগ্রাম ফটিকছড়ির ভান্ডারী মুলা বিখ্যাত হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে ৷উপজেলার হালদা নদীর চরের বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে চাষ হাওয়া এই জাপানি মুলার পাঁচ থেকে ১৫ কেজি৷প্রতিবছর মাঘ মাসে মাইজভান্ডারী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ,মাইজভান্ডারীর ওরশ কে ঘিরে এই মুলা বিক্রির জন্য বাজারজাত করা হয় ৷তাই ভক্তদের কাছে এটি ভান্ডারী মুলা হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে ৷
সারাদেশ থেকে আসা ভান্ডারী ভক্ত অনুসারীরা এই মুলা ক্রয় করে নিয়ে থাকে।বাজারে গিয়ে সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় হালদা সর্তা ও ধরুং খালের পাড়ে মুলা চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে ৷এক একটি মুলা ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয় ৷হালদার চরে বছরে এই মুলা তিন থেকে চারবার চাষ করা যায় ৷ফলে মুলা চাষিরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছে স্থানীয় কৃষকরা৷এক একজন কৃষক তিন মাসে দুই থেকে তিন লাখ টাকা ইনকাম করছে ৷কৃষকরা জানান ভান্ডারী মুলা এক একটি ওজন সর্বোচ্চ ১৫ কেজি পর্যন্ত হয় ৷অনেক বড় হওয়ায় এই মুলা দামে অনেক কম পাওয়া যায়,এবং বাজারে চাহিদেও বেড়েছে৷বিশেষ করে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের ওরশের দিন এই মুলার প্রচুর চাহিদা থাকে ৷ফটিকছড়িতে এবার ৩৭৯ হেক্টর জমিতে মুলা চাষ হয়েছে ৷অনন্যা এলাকার চেয়ে হালদার চরের মাটির গুনাগুন অনেক বেশি ৷পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসা নদীর পলিমাটির উর্বরতা ও হাইব্রিড জাতের বৈশিষ্ট্যের কারণে মূলার আকৃতি সাধারণ মাটি থেকে ৮-১০ গুন বড় হয় কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে সর্বাত্মক পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলে ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাছানুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ৷


মন্তব্য