২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় এর অধিনে নেওয়া হলে জন দূর্ভোগ বাড়বে টেকনাফে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ তিন রোহিঙ্গা আটক পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃর্ষ্ট হয়ে টাইলস মিস্ত্রির মৃত্যু। টেকনাফে আলুর বস্তায় মিলল বিপুল অস্ত্র-বিস্ফোরক ৩ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার চাটখিলে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, ৪ ভরি স্বর্ণ-নগদ টাকা ও জমির দলিল লুট চাটখিলে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের চেলা নদীতে বালু উত্তোলনের সময় এলাকাবাসি নৌকা ও বোমা মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেন হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণ প্রকল্পে মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা চান গ্রামবাসী রুহিয়ায় ব্লাড ব্যাংকের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।
আন্তর্জাতিক:
শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা নেপালে হিমবাহ ধসে বন্যা: নিহত ৩১, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সেবায় অটল ইউএনআরডব্লিউএ, কার্যক্রম বন্ধের দাবি প্রত্যাখ্যান বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চিত্র: দুবাইয়ের ট্রানজিট প্রবণতা ও নতুন ডিজিটাল নিয়ম নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: ১৫৭ জনের প্রাণহানি, নিখোঁজ চার শতাধিক জাতিসংঘের ভোকেশনাল কেন্দ্রে ইসরাইলি বাহিনীর তল্লাশি, অগ্নিনির্বাপণে বাধা
     
             

রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় এর অধিনে নেওয়া হলে জন দূর্ভোগ বাড়বে

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ নুরুল আমিন

জনগণের ভোগান্তি কমানো ও সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে সংস্কার কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। যুগে যুগে এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত বা নীতিগত সংস্কার করা হয়েছে। এখনও হচ্ছে। ভবিষ্যতেও হবে। তবে সব সংস্কারই যে সব সময় জন কল্যান বয়ে নিয়ে আসছে তা কিন্তু নয়। কখনও কখনও জন দূর্ভোগও সৃষ্টি করেছে। তাই যে কোন সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেওয়ার আগে এর ইতিবাচন ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বিষদ আলোচনা পর্যালোচনা এবং গভেষনার প্রয়োজন রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার এই ক্ষুদ্র লেখা।রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় এর অধিনে নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এ ধরনের একটি বিষয় নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শোনা যাচ্ছে। কেহ কেহ বলছেন রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় নেয়া উচিত। তাদের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি হল এর ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে র্দূনীতি কমবে এবং জনগণের ভোগান্তি দূর হবে। তাদের আরও একটি যুক্তি হল, যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন অধিদপ্তরের প্রধান কাজ হচ্ছে ভূমি রেজিষ্ট্রি করা, সেহেতু ভূমি বিষয়ক কাজ করবে ভূমি মন্ত্রনালয়, এটা আইন মন্ত্রনালয় করবে কেন? তাছাড়া ভূমি রেজিষ্ট্রি ও ভূমির নামজারি একই অফিসে হলে জনগণ একই ছাদের নীচে বসে দুটি সেবা একত্রে পাবে। এতে জনগণের হয়রানী কমবে।পক্ষান্তরে অনেকে বলছেন জমির দলিল রেজিষ্ট্রি একটি বিচারিক কার্যক্রম। একজন সাব রেজিষ্টার শুধু জমির দলিল রেজিষ্ট্রি করেন না। দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি মোতাবেক দাতার উক্ত জমি হস্তান্তরের বৈধ অধিকার আছে কিনা? দলিলটি রেজিষ্ট্রি হলে ক্রেতা নিষ্কন্টক ভাবে দলিলে উল্লেখিত সমস্ত সম্পত্তি পাবে কিনা? দাতা জমির সমুদয় মূল্য বুঝে পেয়েছে কিনা অর্থাৎ কোন পক্ষ যাতে কোন প্রকার প্রতারিত না হন একজন সাব-রেজিষ্টিার সেটা বিচার করেন। অপর দিকে রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর শুধু জমির দলিল রেজিষ্ট্রি বা নিবন্ধন করে না। মানুষের জন্ম মৃত্যু ও বিবাহ নিবন্ধন, তালাক, জমির বাজার মূল্য নির্ধারণ, দলিলের বালাম প্রস্তুত ও সংরক্ষন, দলিল লেখক, এক্সটা মহোরার ও তল্লাশ কারকদের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন, সরকারের রাজস্ব আদায়সহ রাষ্ট্রের বহবিধ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভূমি মন্ত্রনালয়ের নিজস্ব যে কাজ রয়েছে, যেমন ভূমি নীতি ও আইন প্রনয়ন, ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন, ই-নামজারি ও রেকর্ড সংশোধন, ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ ও আদায়, খাস জমি ও জলাশয় ব্যবস্থাপনা, অর্পিত ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংরক্ষন, ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল, ভূমি সেবা ডিজিলাইজেশন ও অটোমেশন, ভূমি বিরোধ নিস্পত্তি ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। এসকল কাজ গুলো ভূমি মন্ত্রনালয় কী সঠিক সময় সঠিকভাবে করতে পারছে? বা করার মত তাদের পর্যাপ্ত জনবল ও ইনস্টলমেন্ট আছে?বাংলাদেশের ভূমি সংক্রান্ত নীতি ও আইন এখনও আধুনিক ও যুগোপযোগি নয়। বেশির ভাগ কার্যক্রম পরিচালিত হয় ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় হুকুম দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে। এটি ছিল ব্রিটিশ শাসক কর্তৃক প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের উদ্দেশ্য প্রণীত বেঙ্গল টেন্যান্সি এ্যাক্ট ১৮৮৫ এর একটি সংস্করণ। একটি জমি একটানা বহু বছর ধরে ভোগ দখল এবং বার বার মালিকা পরিবর্তনের ফলে জমির আকার আকৃতি ও শ্রেণির পরিবর্তন হয়। মূল মালিকের নাম থেকে পরবর্তি মালিকদের নামে নিতে হলে রেকর্ড বই সংশোধন করতে হয়। যত বার মালিলকানার পরিবর্তন তত বার-ই রেকর্ড সংশোধন, এতে বালাম বই এর পৃষ্ঠা কাটা ছেড়া করতে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। অনেক দিন ধরে ধরে পাশা পাশি ভোগ দখল করার কারণে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় যে ভাবেই হোক এক মালিকের জমি অন্য মালিকের জমির মধ্যে ঢুকে যায়। এ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। জমির খাজনা আদায় ও রেজিষ্ট্রিশনের ক্ষেত্রেও দেখা দেয় নানা রকম জটিলতা। এসকল জটিলতা দূর করার জন্য পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন করা ভূমি মন্ত্রনালয়ের কাজ। কিন্ত এই কাজের মান, স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনগণের মাঝে রয়েছে হাজারো অভিযোগ। বলা হয় ধাপে ধাপে জরিপ, ভাঁজে ভাঁজে দূর্ণীতি। ই-নামজারি ও অটোমেশন চালু হওয়ায়র পর রেকর্ড সংশোধন ও খাজনা প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের হয়রানী কিছুটা কমছে। উপর থেকে মাঠ প্রশাসনের উপর বার বার প্রসার দেওয়ার কারণে আগের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে মিউটিশন পাওয়া যায়। তবে র্দূনীতি একেবারে বন্ধ হয়েছে তা শোনা যায় না। ভুক্ত ভোগিরা জানান, ঘুষ না দিলে নানান অজুহাতে নামজারি কেস ও হোল্ডিং এর আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা মওকুপের বিধান থাকলেও বেশির ভাগ জনগণ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কারণ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদারদের বাড়ী বাড়ী ঘুরে খাজনা আদায় করার নিয়ম থাকলেও তারা তা করেন না। ফলে সরকারী খাতায় জমির মালিকদের বছরের পর বছর খাজনা বাকি পরে আছে। এই জন্য তারা ভূমি অফিসে যেতে ভয় পান। একান্ত নিরুপায় হয়ে দুই একজন জমির মালিক যখন খাজনা দিতে যান তখন তাদের কাছ থেকে প্রকৃত পাওনার চেয়ে অনেক বেশি টাকা আদায় করা হয়। এর মাধ্যমে সরকারের হিসাবে বকেয়া খাজনার পরিমান কম ধেখানো সম্ভব হয়। খাস জমি ও জলাশয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও অব্যস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সরকারী বন্দোবস্তকৃত খাসজমির ২৫ শতাংশের বেশি প্রকৃত ভূমিহীনরা পান না। কারন একটি বন্দোবস্ত কেস দাখিল থেকে শুরু করে অনুমোদন, কবুলিয়ত রেজিষ্ট্রি, নামজারী, দখল বুঝে নেওয়া ইত্যাদি করাতে যে পরিমান টাকা খরচ করতে হয় প্রকৃত ভূমিহীনদের সেই পরিমান টাকা থাকে না। জলমহল ইজারার নামে সৃষ্ট হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে এটা এখন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ একটি সুষ্ঠ ও সুপরিকল্পিত নীতিমালার মাধ্যমে ভূুমি ব্যবস্থাপনায় শৃংখলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও ভূমি মন্ত্রনালয় দীর্ঘ দিন ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছে। যেখানে ভূমি মন্ত্রনালয়ের কাজের পরিধি বিশাল। নিজেদের পরিবার গুছিয়ে রাখতেই প্রতিনিয়ত হীমসীম খেতে হচ্ছে। সেখানে একটি মহল রেজিষ্ট্রিশন বিভাগকে ভূমি মন্ত্রনালয়ের ঘারে চাপিয়ে দিতে তৎপর কেন? ভূমি মন্ত্রনালয়ের কি কাজের অভাব পরেছে? না ভূমি মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা হাত পা গুটিয়ে বেকার বসে আছে? ভূমি মন্ত্রনালয় কি অনিয়ম ও দূর্নীতি থেকে একেবারেই মুক্ত? আর আইন মন্ত্রনালয় কী আপদ মস্তক দূর্নীতিতে নিমজ্জিত?এখন আসি সেবার মান সম্পর্কে। যারা বলেন রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় নেয়া হলে র্দূনীতি কমবে এবং জনগণের ভোগান্তি দূর হবে তারা কি জানেন, বাংলাদেশে একটি মাত্র অফিস আছে যে খানে সেবার জন্য আবেদন করলে এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে শতভাগ সেবা গ্রহিতারা তাদের কাঙ্খিত সেবাটি পেয়ে যান। আপনি যে ভাবে দলিলটি রেজিষ্ট্রেশন করেছেন তার একটি দাড়ি কমাও ভুল না করে হুবহু বালাম বইতে উঠিয়ে তা শত শত বছর ধরে সংরক্ষন করে আসছে রেজিষ্ট্রি অফিস। দলিলে লিখেছি ৫ শতাংশ, বালামে উঠেছে ১০ শতাংশ, দলিলে মৌজা লিখেছি একটা বালামে লেখা হয়েছে আরেকটা এ ধরনের ঘটনা তো দূরের কথা অভিযোগ উঠেছে এমনটাও কারও জানা নাই। কিন্তু ভূমি মন্ত্রনালয়ের কথা ভাবুন, জমি একজনার রেকর্ড হয়েছে আরেকজনার নামে, জমির পরিমান ভুল, দাগে ভুল, হিস্যায় ভুল, নামের বানানে ভুল, সূচী বইয়ের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় ভুল, নকশায় জমি কম-বেশি, ব্যক্তি জমির মধ্যে সরকারের খাস জমি, খালকে নাল, নালকে খাল, এরকম অভিযোগ একটা নয়, একশ নয়, হাজার বা লক্ষ নয় কোটিকেও ছাড়িয়ে যাবে। আর এ নিয়ে সাধারণ মানুষ যে কতটা হয়রানী বা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটা গানের মধ্যে শুনেছি “চন্দ্র সূর্য্য যত বড় আমার দু:খ তার সমান”। এদশের সাধারণ মানুষ অনেক সহজ সরল। অনেক অভাগা । ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তারা ন্যার্য্য মর্যাদা ও অধির্কা পায় নাই। তারা এমনিতেই অনেক দু:খ কষ্টের মধ্যে দিন কাটায়  তাদের দু:খ বা কষ্ট আরও বাড়িয়ে কোন লাভ নাই। তার চেয়ে সরকারে উচিত হবে, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সরকারের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান দুটি আধুনিকায়ন করা। ঘুষ ও দূর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। বর্তমান পদ্ধতিতে দলিল রেজিষ্ট্রি করে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস । দলিলে কোন ভুল ভ্রান্তি হয়েছে কিনা উহা যাচাই বাছাই করে রেকর্ড সংশোধন করে ভূমি অফিস। দুইটি সেবা একই ছাদের নীচে হলে যাচাই বাছাই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যে স্কুলের ছাত্র, সেই স্কুলের শিক্ষক যদি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করতে পারত তাহলে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে বোর্ড পরীক্ষা নেয়ার প্রয়োজন হত না। সুতরাং রেজিষ্ট্রিশন অধিদপ্তর আইন মন্ত্রনালয় থেকে ভূমি মন্ত্রনালয় এর অধিনে নেওয়ার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কিনা তা গভীর পর্য়ালোচনার দাবী রাখে। হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তা হিতে বিপরীত হবে। এতে জন দূর্ভোগ আরও বাড়বে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ তিন রোহিঙ্গা আটক
পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃর্ষ্ট হয়ে টাইলস মিস্ত্রির মৃত্যু।
টেকনাফে আলুর বস্তায় মিলল বিপুল অস্ত্র-বিস্ফোরক ৩ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার
চাটখিলে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, ৪ ভরি স্বর্ণ-নগদ টাকা ও জমির দলিল লুট
চাটখিলে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত
সুনামগঞ্জের চেলা নদীতে বালু উত্তোলনের সময় এলাকাবাসি নৌকা ও বোমা মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেন
হোয়াইক্যং মিনাবাজার আশ্রয়ণ প্রকল্পে মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা চান গ্রামবাসী

You cannot copy content of this page