১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মহেশখালীর কুতুবজোমে চিংড়িঘেরে অভিযান, আলোচিত আবুল কাসেম আটক কোম্পানীগঞ্জে এসআরবির অভিযানে ‘কেচ্ছা রাসেল’ গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় মোবাইল নিয়ে বিরোধের জেরে যুবক হত্যা: এজাহারনামীয় ও তদন্তে প্রাপ্ত ৪ জন গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় দুর্গোৎসবে বস্ত্র দিলেন মিজানুর রহমান মোবাইল নিয়ে বিরোধ: সাতকানিয়ায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা টাঙ্গাইলের নবাগত জেলা প্রশাসককে আর জে এফ জেলা কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা জঙ্গল সলিমপুরে উচ্ছেদ আতঙ্কে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা চুয়েটে অনলাইন সিন্ডিকেট সভা, উপস্থিত ছিলেননা কোন সিন্ডিকেট সদস্য শিবপুরের কালুয়ার কান্দা গ্রামে ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় কাঞ্চনা জামায়াতের ১ লাখ টাকা অনুদান
আন্তর্জাতিক:
নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা
     
             

মানবাধিকার সংস্থার প্রতারণায় নিঃস্ব হাজী রফেজ হাওলাদার

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

রিপোর্ট কামরুল ইসলাম মোহন >>>
একটি মানবাধিকার সংস্থার খপ্পরে পরে সর্বসান্ত হয়ে গেছেন ঢাকার হাজী রফেজ হাওলাদার নামে এক ব্যবসায়ী। তাকে ঐ মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান বিভিন্ন মামলার ভয় ও শারীরিক নির্যাতন করে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হাজী রফেজ হাওলাদার শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনার সাথে জড়িত শাহবাগ থানায় কর্মরত এস আই ইকবালকে থানা থেকে লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রমতে জানা যায়, সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান পরিচয়দানকারী লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া ও শাহবাগ থানার এস আই ইকবালের জোগসাজসে একটি নাটকীয় ঘটনার মাধ্যমে হাজী রফেজ হাওলাদারের কাছ থেকে ১১ লক্ষ টাকা ও লাখ লাখ টাকার স্বর্ণলংকার কৌশলে হাতিয়ে নেয় ঐ চক্রটি। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, হাজী রফেজ হাওলাদারের পুত্র মোঃ ইউসুফ আলী গত ১০ ফেব্রুয়ারি ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক পিতা: মৃত আলমগীর হোসেন ও মাতা: নুরুন নাহারের কন্যা নাহিয়ান আক্তার সওদা (১৮) কে বিবাহ করেন। ইউসুফ আলীর স্ত্রী মাত্র ১ বার স্বামীর বাড়ীতে আসেন। যাওয়ার সময় কৌশলে বিবাহের সময় দেয়া সকল কাপড় চোপড় ও শরীরে থাকা ৭.০৫ গ্রাম একটি গলার হার স্বর্ণের ৬ আনার ১টি আংটি ও স্বর্ণের একটি নাকফুল পরিধান অবস্থায় ও তাকে শাশুরীর দেয়া ০.৯ গ্রাম এক জোড়া হাতের বালা স্বর্ণের ৪.০৮ গ্রাম এক জোড়া ছিঃরিং স্বর্ণের ১.৯০ গ্রাম ও ১.৪৩ গ্রাম আরও ২টি আংটি নিয়ে যায়। বার বার তাকে স্বামী ইউসুফ আলী আনতে গেলেও নানা ছলচাতুরী করে তার সাথে আসে না। বরং ভাড়াটিয়া মাস্তান এনে জামাই ইউসুফ আলীকে নানাভাবে হয়রানী করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গত ২৮/০৪/২০২৩ তারিখে ডিএমপির সবুজবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। যার নং ১০৮৬।
এই দিকে মেয়ের মা নুরুন নাহার তার বেয়াই হাজী রফেজ হাওলাদারকে বার বার ফোন দিয়ে বলে মেয়েকে ঈদের বাজার করে দিতে এবং বিগত দিনে যে সমস্যা হয়েছে তা এক জায়গায় বসে সমাধান করতে হবে। নুরুন নাহার তার বেয়াইকে বলে পল্টনে তার এক মামাতো ভাইয়ের অফিস আছে সেখানে বসে সকল সমস্যার সমাধান হবে। নুরুন নাহার বলেন, মেয়ে কেন আপনাদের বাসায় যায়না এ বিষয়ে ওখানে সমাধান হবে। এই কথা শুনে হাজী রফেজ হাওলাদার বেয়াইন নুরুন নাহারের কথামত পল্টনে আসে কিন্তু বেয়াইন নুরুন নাহার তাকে কোন অফিসে না নিয়ে আবাসিক হোটেল নূরজাহানে নিয়ে ৫০৫নং কক্ষে আটকায়। নুরুন নাহার পূর্ব পরিকল্পনা করে ঐ মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যানকে বলে তার বেয়াই অনেক টাকার মালিক তার কাছ থেকে কৌশলে টাকা আদায় করতে হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঐ মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহীম ভূঁইয়া এস আই ইকবালকে ডেকে নিয়ে হোটেল নুর জাহানে যায়। গিয়েই হাজী রফেজকে এলোপাথারী মারধোর করে। শুধু তাই নয়, তার পরিহিত লুঙ্গী খুলে তাকে তাওয়ালে পড়াইয়া বিভিন্ন এ্যাংগেলে ছবি তোলে এবং সাজানো আপত্তিকর অবস্থা বানিয়ে ছবি তোলে ও ভিডিও করে। এই সব ঘটনা ঐ মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান ঘটায় গত ১৯ এপ্রিল। ঐ সাজানো ঘটনা ঘটিয়ে ইব্রাহীম ভূঁইয়া, নুরুন নাহার ও এস আই ইকবাল হাজী রফেজকে জিম্মি করে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে হাজী রফেজ জানায়, ঘটনার মূল নাটের গুরু মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ভূঁইয়া। সে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকটি চক্রের মাধ্যমে এই রকম সহজ সরল মানুষকে জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করে। হাজী রফেজ এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page