মোঃ সিজার হোসেন জেলা ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি (রাজশাহী)>>> শীতের আমেজ শুরু করেছে এরই মধ্যে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন বিভিন্ন রকম সবজি।নতুন সবজির প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ থাকলেও আকাশ-ছোঁয়া দামের কারনে কিনতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যে-নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষ।মঙ্গলবার ১৯ (নভেম্বর) বানেশ্বর বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায় শীতের সবজি মুলার দাম দোকান ভেদে চাওয়া হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ফুলকপি ৭০-৮০ টাকা শীম ৯০-১০০ টাকা লাল শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত তবে উল্টো চিত্র আলুর বাজারের লাগামহীন দামের পরিস্থিতিতে।প্রতি কেজি আলুর মূল্য দোকান ভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।সবজি কিনতে আসা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন,সবজির এতো দাম হলে সস্তি মিলে কিভাবে?বাজার বাহারি সবজীতে ভরপুর অথচ দামের বেলায় মনে হয় এগুলো বিলুপ্ত প্রজাতির সবজি যে কারনে এত দাম।বাজারে এসে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার সবজি কিনলে ব্যাগের তলানীতে পড়ে থাকছে।মাছ-মাংস বাদ দিয়ে সবজি কিনে খাব তারও উপায় নেই।সত্য কথা হলো আমাদের মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ খুব কষ্টে আছে।তিনি আরও বলেন,আমরা তো ভেবেছিলাম নতুন সরকার ঠিক ভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে,কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছুই হচ্ছে না। বাজার এখনও সিন্ডিকেটের দখলেই রয়ে গেছে।তিনি অন্তবর্তী কালীন সরকারের কাছে আহবান করেন যে এ সকল সিন্ডিকেটকারীদের ধরে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।বিক্রেতারা বলেন,বাজারে সবজি গুলো নতুন উঠেছে যার কারনে এ সকল শীতের সবজি বাজারে আমদানির থেকে তুলনামূলক ভাবে চাহিদা অনেক বেশী।তাই দামটা এখন একটু স্বাভাবিক এর তুলনায় বেশী।তবে অন্যদিকে আলুর বাজারের পরিস্থিতি একবারেই অস্বাভাবিক,বাজারে ১৫ দিন থেকে ১ মাস আগেও আলুর দাম ছিলো ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা কিন্তু হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরাও বিপাকে পড়ে গেছি।আমরা সিন্ডিকেটর কাছে জিম্মি।আমরা আড়ৎ থেকে কিনে নিয়ে এসে সামান্য লাভ করে বিক্রি করি।তারা আরও বলেন এ সকল সিন্ডিকেটের মুল কারিগরদের ধরে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিৎ এবং তাদের মোটা অংকের টাকা জরিমানা করলে বাজার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং বাজারে শীতকালীন যে সকল সবজি আছে সেগুলো চাহিদা অনুযায়ী আমদানি হলে দামটা স্বাভাবিক হবে বলে জানান।


মন্তব্য