২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

পাবনায় হাত-পা বেঁধে মাদ্রাসা ছাত্রকে নির্যাতন

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জামাল হোসেন পাবনা জেলা প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় এক মাদ্রাসার ছাত্রকে হাত, পা বেঁধে টেবিলের নিচে মাথা দিয়ে বেত ও স্কেল দিয়ে বেদম পিটিয়ে জখম করেছে ওই মাদরাসার হেফজ শিক্ষক মাওলানা ইকবাল হোসাইন।বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী আশংকাজনক অবস্থায় সাঁথিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা না করে এলাকায় বসে একটা বিচার করে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাদরাসার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার হাড়িয়াকাহন বাইতুল উলুম নুরানী হাফিজিয়া মাদরাসার হেফজ শিক্ষার্থী আসাদুল (৮) জন্ডিস হওয়ার কারণে বিগত কয়েকদিন মাদরাসায় অনুপস্থিত থাকায় রাত ১১টার দিকে ওর সহপাঠী সজিবকে দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে পাঠায় মাদরাসার শিক্ষক।আসাদুল সেখানে গেলে হুজুর তাকে এতোদিন মাদরাসায় অনুপস্থিতির কারন জানতে চান। উত্তরে আসাদুল অসুস্থের কথা জানালে মাওলানা ইকবাল ক্ষিপ্ত হয়ে পিটমোড়া করে বেঁধে, মাথা টেবিলের নিচে দিয়ে বেদম মারপিট করে।মারপিটের এক পর্যায়ে আসাদুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তাকে জখম অবস্থায় হাত, পা বেঁধে কাঁথা দিয়ে ঢেকে রাখে মাওলানা ইকবাল। কিছুক্ষণ পরে আসাদুলের ভাই খবর পেয়ে তার মাকে ঘটনা খুলে বললে তিনি দৌড়ে মাদরাসায় যান। গিয়ে ছেলেকে খুঁজাখুঁজি করেন।না পেয়ে হুজুরকে জিজ্ঞাসা করেন, ছেলে কই? উত্তরে তিনি মাওলানা ইকবাল, কেন ছেলে তো বাড়ি চলে গেছে। পরে তিনি এদিক ওদিক খোঁজাখুজি করে দেখেন, যে কাঁথার নিচে শুয়ে আসাদুল কাতরাচ্ছে। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে রাত ১টার দিকে সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।আসাদুলের মা শোভা খাতুন জানান, আমার ছেলের জন্ডিস ধরা পড়ায় তাকে আমরা মাদরাসায় যেতে দেইনি। আমি যদি ওই সময় দ্রুত না যাই তাহলে হয়তো আমার ছেলে মারা যেতো। কোন মানুষ হয়ে এভাবে কোন শিশু সন্তানকে মারতে পারে? তিনি বলেন, ওই হুজুরের মনে হয় কোন সন্তান নাই। থাকলে এভাবে অমানবিক নির্যাতন করতো না।মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশারফ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই শিক্ষার্থীর যাবতীয় চিকিৎসার দায়ভার নেয়া হয়েছে মাদরাসার পক্ষ থেকে। এ ব্যাপারে মিমাংসা করে দেয়া হয়েছে।আসাদুলের বিষয়ে সাঁথিয়া হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আসাদুলকে হাসাপাতালে ভর্তি করার সময় তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন তার অবস্থা আশংকামুক্ত। তবে তাকে নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মারপিটের জখম শুকাতেও সময় লাগবে

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page