২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

পাবনায় হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জামাল হোসেন পাবনা জেলা প্রতিনিধি>>

পাবনায় আবুল কালাম হত্যা মামলায় আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়।রোববার (৯ জুলাই) বিকেলে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শামীম আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের মো. মোতাহার হোসেন, মো. সাইদুল ইসলাম, আলাই, আক্কাছ আলী ফকির, শাহিন, রমজান আলী প্রামাণিক, মো. সাইফুল ইসলাম ও আতাউর রহমান। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. সাইদুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক।আদালত সূত্র জানায়, সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার আবুল কালাম তার পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের সঙ্গে অলিখিত চুক্তিবদ্ধ হন। এ জন্য তারা এক লাখ টাকা দাবি করেন। আবুল কালাম ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম দেন। বাকি ৬০ হাজার টাকা জমি উদ্ধারের পর দেওয়া কথা বলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা কালামকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ২০১৬ সালের ২৪ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দণ্ডপ্রাপ্তরা আবুল কালামকে হত্যার জন্য পাবনা সদর উপজেলার শ্রীকোল পশ্চিমপাড়ায় কৌশলে ডেকে নিয়ে আসেন। এক কোপে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তারা।এ ব্যাপারে আবুল কালামের ছেলে সুরুজ আলী বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে পাবনার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বেগম শামীম ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সামাদ খান রতন বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আদালতের এ আদেশে খুশি।তবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী শাজাহান আলী খান। তিনি বলেন, এ রায়ের আমাদের মক্কেল ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page