২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

পাবনায় পাটের বাম্পার ফলন, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেড়েছে আবাদ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জামাল হোসেনপাবনা জেলা প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহরে সোনালী আঁশ পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। উপজেলায় সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের আবাদ বেড়েছে। এক সময়ের বিশ্বব্যাপী সমাদৃত সোনালী আঁশ পাটের গৌরবময় অতীত হারিয়ে গেলেও নতুন করে আবার পাটের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে পাটের দাম ভালো পাওয়ায় পাট চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন পাট চাষিরা। ফলে ব্যাপক হারে এবছরেও পাট চাষ করেছেন তাঁরা।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের মাঠে মাঠে চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। সবুজ পাতার সাথে দোল খাচ্ছে মাঠের পর মাঠ কৃষকের সোনালী আঁশ পাট।পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পাট চাষে ঝুঁকেছে কৃষক। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম পাওয়ায় কৃষক পাট চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। অনেক কৃষকই বলছেন পাট চাষীদের সুদিন ফিরেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে চাটমোহর উপজেলায় ৮ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে পাট চষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করে। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে।উপজেলার আড়িংগাইল গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, চলতি মৌসুমে চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন তিনি। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় এখনো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ধুলাউড়ীর কৃষক জমিন জানালেন, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। পাট উৎপাদন হয় প্রায় ৮ মন। যার বাজারদর সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা। এছাড়া বিঘা প্রতি প্রায় ২ হাজার টাকার পাটকাঠি পাওয়া যায়। গত বছর ভরা মৌসুমে প্রতি মণ পাট ২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও ক্রমশই পাটের দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ৬ হাজার টাকা মণ পাট বিক্রি হয়েছে। ফলে যারা পাট ভরা মৌসুমে বিক্রি না করে রেখে দিয়েছিলেন তারা বিঘা প্রতি প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভোবান হয়েছেন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page