ফারুকুর রহমান বিনজু, পটিয়া চট্টগ্রাম, প্রতিনিধি >>> চট্টগ্রামের পটিয়ায় এইবারের এসএসসির ফলাফলে চরম বির্পযয় দেখা দিয়েছে।ফলে ২০২৬ সালের এসএসসির পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
গত বছরের তুলনায় এ বছর পাশের হার ১৭শতাংশ কমে ৫৫.৩১শতাংশে নেমে আসে ফলে ১০০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করে ৪৫জন।তাতে দেখা যায় ফেলের পাশাপাশি পাসের হারও কমেছে আশঙ্কাজনক ভাবে।শুধু সাধারণ স্কুল নয়,মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও একই আবস্থা।সেই সাথে জিপিএ-৫পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে ২০১জন।
পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছর পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫৭৪৮জন।পাস করে ৩১৭৯জন।পাসের হার ৫৫.৩১শতাংশ।গত বছর ৪২টি বিদ্যালয় হতে পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাসের হার ছিল ৭২.৭৩শতাংশ।মাত্র ১বছরে পাশের হার কমে দাঁড়ায় ১৭.৪২শতাংশ।
এদিকে পাসের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ এর আবস্থাও একই।গত বছরের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১০জন।১বছরে তা কমে দাঁড়ায় ২০৯জন।গত বছরের তুলনায় এবছর কমেছে ২০১টি।যার ফলে একই সংগে দুই সূচকের পতন ঘটায় শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যেমন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে তেমন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিপন কান্তি দে(ভারপ্রাপ্ত)বলেন ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কম।তার কারণ বিষয় ভিত্তিক ফলাফলের তারতম্য,শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি,পরীক্ষার প্রস্ততির ঘাটতি এবং দূর্বল শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহয়তার অভাব।আগামীতে এসব বিষয়ে একাডেমিক মনিটরিং জোরদার করার গুরুত্ব দেয়া হবে।
শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক মহল বলেন,পরীক্ষার আগে কয়েক মাসের প্রস্তুতি দিয়ে গণিত ও ইংরজীর ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয় বলে মত প্রকাশ করেন।


মন্তব্য