আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক।।
নিজস্ব প্রতিবেদক | দক্ষিণ চট্টগ্রাম দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ও জনদাবি অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আনোয়ারা-বাঁশখালী-পেকুয়া হয়ে চকরিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রশাসনিক ও আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হওয়ায় এই জনপদে এখন বইছে উৎসবের আমেজ।সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের জন্য একটি বিস্তারিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তাবনাটি অনুমোদনের জন্য বর্তমানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক ধাপগুলো সম্পন্ন করে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরুর আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব এই মহাসড়কটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতির ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ৪ লেনের এই সড়ক চালু হলে যেসব খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে:
আনোয়ারা ও বাঁশখালীর শিল্পাঞ্চল এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সাথে সারা দেশের যোগাযোগ সহজতর হবে। পেকুয়া ও চকরিয়ার উৎপাদিত লবণ এবং সামুদ্রিক মৎস্য দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো যাবে।দক্ষিণ চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় কৃষিপণ্য সরবরাহে গতি আসবে।নিরাপদ যাতায়াত: সরু রাস্তার কারণে সৃষ্ট নিত্যদিনের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে আসবে।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই উন্নয়নের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছেন প্রভাবশালী নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ। নির্বাচনী প্রচারণাকালে এই সড়কটিকে আধুনিকায়নের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা এখন দৃশ্যমান।পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক ছাফওয়ানুল করিম এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনের পর থেকেই একের পর এক জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। ৪ লেন সড়কের পাশাপাশি নতুন উপজেলা ও পৌরসভা গঠনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে মাতামহুরী উপজেলা ও চকরিয়ার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এখন সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান বাস্তবতা।আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা বর্তমানে এই রুটে যাতায়াতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। ৪ লেনের কাজ শেষ হলে যাতায়াতের সময় প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সালাহউদ্দিন আহমদের প্রেস সচিব জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এলাকার প্রতিটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তারা বদ্ধপরিকর



মন্তব্য