১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ডলারে বেতন ও নিরাপদ রেমিট্যান্স নিশ্চিতে কোকা-কোলা মালদ্বীপের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক চাটখিল দলিল লেখক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা এবং মেডিকেল ক্লাস চালুর দাবিতে দশমতম দিন ধরে রাস্তা অবরোধ চলছে সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থককে গুলি ও কুপিয়ে জখম: গ্রেপ্তার ১ চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ধানসিঁড়ি কলেজে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত খুটাখালী নয়াপাড়া  মসজিদ-কবরস্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ  প্রশাসক! প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস টেকনাফের গহীন পাহাড়ে যৌথ অভিযান: মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত ৪ তরুণ উদ্ধার পটিয়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৩। বিদ্যুৎ বিলের তীব্র ঝাঁকুনি: হাটহাজারীতে ‘ভুতুড়ে’ বিলে দিশেহারা গ্রাহক, ক্ষোভ তুঙ্গে
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

তানোরে একদিকে বীজ বপন অন্য দিকে আলুর জমিত চলচে ধান কাটা মাড়ায়

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

এস আর,সোহেল রানা,তানোর রাজশাহী>>>>

প্রতিনিধি:রাজশাহীর তানোরে একদিকে রোপা আমনের বীজ বপন শুরু হয়েছে, অপর দিকে আলুর জমিতে পুরোদমে চলছে ধান কাটা মাড়ায়। ধানের বাম্পার ফলন হলেও  দাম নিয়ে হতাশায় ভূগছেন কৃষকরা। প্রচন্ড খরতাপ থাকার পরও কোন কিছুই তোয়াক্কা না করে পুরোদমে চলছে ধান কাটা ও মাড়ায়ের কাজ। বিগত সময়ে আলুর জমির শুকনো ধান খড় কৃষকের ভাগ্যে জুটেনি। কিন্তু এবার ধান খড় শুকনো পাচ্ছেন কৃষকরা। এতে করে কৃষকদের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে। কারন এক বিঘায় নিম্মে হলেও ২০ মন ধান ফলন হচ্ছে। একমন ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। কিন্তু প্রতিদিন সিন্ডিকেটে কমছে একারনে এক প্রকার চিন্তিত কৃষকরা। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে জমি থেকে শ্রমিকরা ধান বহম করে রাখছেন কামারগাঁ ইউপির পাড়িশো মোড়ে। সেখানে ছিলেন কৃষক দূর্গাপুর গ্রামের মমিন নামের একজন। তিনি জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকার কারনে ধানে কোন প্রকার রোগবালাই ছিল না। আলু তোলার পর ১০ বিঘা জমিতে ৭৬ জাতের ধান লাগিয়েছিলাম। পুরোটাই কাটা হয়ে গেছে। জমি থেকে মোড়ে আনা হচ্ছে। সেখান থেকে ট্রলি বা মোটা চাকার চার্জার ভ্যানে বাড়ির খৈলানে নেওয়া হবে। তবে ধানের এতই ভালো অবস্থা বিঘায় ২০ মন ফলন পার হয়ে যাবে। নিজের জমি, বর্তমান বাজার ১০১০-১০২০ টাকা করে। এমন দাম থাকলে বিঘায় ৩-৪ হাজার টাকা লাভ হবে এবং শুকনো খড় পাওয়া যাচ্ছে। মোড়েই ময়েজ নামের আরেক কৃষকের ধান শ্রমিকরা গাড়ীতে তুলছিলেন, তিনি জানান নিজের ৪ বিঘা জমিতে আলু তুলে ধান লাগিয়েছিলাম। শুকনো ধান খড় তুলতে পেরেছি, ফলন ভালো হবে। মতিন নামের আরেক কৃষক জানান ৭ বিঘা জমির ধান কাটা শেষ, কিছু বহন করে আনা হয়েছে, আর জমিতে রয়েছে শুক্রবারে পুরোটাই উঠে আসবে। আমাদের এলাকায় যারাই মাড়ায় করেছেন বিঘায় ২০ মন বা তার উপর ফলন হয়েছে।ভারে করে ধান বহন করছেন চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ কানসাট এলাকার শ্রমিক আলম, নুরুল। তারা জানান আমরা ১২ জন শ্রমিক ধান কাটছি। বিঘায় চার মন ধানের চুক্তি। তবে প্রচুর গরমের কারনে দিনে চার বিঘা জমির ধান কাটতে পারছি, গরম না হলে আট বিঘা জমির ধান কাটা যেত।

এছাড়াও রোপা আমন রোপনের জন্য বীজ বহন শুরু হয়ে গেছে।গত বৃহস্পতিবার বীজ বপনের সময় বিহারইল মাঠে কথা হয় মাদারিপুর গ্রামের কৃষক সুফিয়ানের সাথে। তিনি জানান ১০ শতাংশের কিছু বেশি জমিতে স্বর্না জাতের ৪৫ কেজি বীজ বপন করছি। ৪৫ কেজি বীজ ভালো হলে ১০ বিঘা জমি রোপন করা যাবে। আমরা একটু আগাম বীজ বপন ও চাষ করে থাকি। তিনি আরো জানান বিঘায় ৪ কেজি বীজ লাগে। এক বিঘা জমিতে বীজ তৈরি থেকে উত্তোলন পর্যন্ত ৬-৭ হাজার টাকা খরচ হয়।ওহিদুল নামের আরেক কৃষক সাড়ে তিন মন বীজ বপন করেছেন।সুফিয়ান, আব্দুল সহ একাধিক কৃষকরা জানান, এক মন বীজের ধান কিনতে হচ্ছে ১৭০০-১৮০০ টাকা দিয়ে। অথচ একমন ধান বিক্রি হচ্ছে ১হাজার টাকায়।  কৃষক যাবে কোথায়, কেজি প্রতি সারের দাম ৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। আবার পটাশ সার ১২০০-১৩০০ টাকা ছাড়া মিলছে না। সব দিক থেকে মরছে কৃষক। কিভাবে একজন প্রান্তিক কৃষক পথে বসবে সেটাই করা হচ্ছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, আরো এক সপ্তাহ বোরো ধান কাটা চলবে। তারপর থেকে যেটা কাটা হবে সেটা আউশ হিসেবে ধরা হবে। রোপা আমনের লক্ষমাত্রা ২২ হাজার ৪০০ হেক্টর। সে মোতাবেক ১১২০ হেক্টর জমিতে বীজের লক্ষমাত্রা, সে অনুপাতে ৮০০ মে:টন বীজের প্রয়োজন। তবে খরতাপের কারনে অবশ্য শ্রমিকদের মারাত্মক কষ্ট হলেও কৃষকরা শুকনো ঝরঝরে ধান ঘরে তুলতে পারছেন। এবার বোরোতে বাম্পার ফলন হয়েছে, তবে ফড়িয়া সিন্ডিকেটের কারনে দাম কমছে, সে বিষয়ে বিপনন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে হাট বাজার, আড়ত ও চাতালে অভিযান পরিচালনা করবেন।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page