আনোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> বিগত স্বৈরাচার কে বিতাড়িত করতে কোন বেগ পেতে হয়নি। এখনো কোন বেগ পেতে হবেনা। আপনারা বিচলিত হবেননা। গণ অধিকার পরিষদের তিনটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যাকপ্যাক হিসেবে কাজ করবে। অতীতে করেছিল। স্বৈরাচারীর সময় করেছিল। গণঅভ্যুত্থানের সময় স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করতে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছিল।আগামীতেও করব। এই বাংলাদেশ রক্ষার জন্য জীবন দিয়ে রাজপথে নিয়ে নেমেছিলাম। আমরা তো ৫ তারিখের আগেই মরেই গেছি। এখন যে আছি এটা বোনাস খাচ্ছি। আমরা এ বোনাস টা জাতীয় পার্টিকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত ফি সাবিলিল্লাহ করে দিলাম। ঢাকায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূরের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি এ.কে উদার এসব কথা বলেন। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে গণ অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে এ মশাল মিছিল বের করা হয় । এ.কে উদারের নেতৃত্বে মশাল মিছিলটি উপজেলা গণ অধিকার পরিষদের দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে থানার সামনে গিয়ে ঘন্টা ব্যাপী বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা এসময় আরো বলেন, লেগেছেরে লেগেছে রক্তে আগুন লেগেছে, গণঅধিকার পরিষদের উপর হামলা কেন? প্রশাসন জবাব চাই, নূর ভাইয়ের ওপর হামলা কেন? প্রশাসন জবাব চাই, আপা গেছে যে পথে জাপা যাবে সে পথে, আ’লীগের দোসরা হুশিয়ার-সাবধান, জাতীয় পার্টির চামসারা হুশিয়ার-সাবধান,দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা। এমন নানা প্রতিবাদী স্লোগান স্লোগানে রাজপথ ও থানা প্রাঙ্গন মুখরিত হয়ে উঠে। এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব হোসাইন, উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি মাসুম বিল্লাহ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল ইসলাম,যুব অধিকার পরিষদ সভাপতি লাভলু হক প্রমুখ।পাশাপাশি উপস্থিত নেতৃবৃন্দ হামলার তীব্র প্রতিবাদ, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জাতীয় পার্টির নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানান।


মন্তব্য