২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক:
লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু
     
             

চিড়িয়াখানায় চাকরি পেলেন আন্দোলনে নিহত ইশমামের ভাই মুহিব

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিউজ ডেস্ক >>> কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে ঢাকায় নিহত হয়েছিলেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার কিশোর ইশমাম (১৮)। এরপর সরকার পরিবর্তনের পর সরকারি চাকরি পেয়েছেন নিহতের বড় ভাই মুহিব।আজ মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে চাকরি পাওয়ার বিষয়টি মুহিব কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পান।মুহিব জানান, কয়েক দিন আগে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান লোহাগাড়া উপজেলা পরিদর্শনে আসেন। তখন ইশমামের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শন করে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার ঘোষণা দেন। এরপর লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আজ তাকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার অফিস সহকারী পদে চাকরি দেওয়া হয়।মুহিবকে চাকরি দেওয়ার বিষয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক  বলেন‘মুহিব অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন।তাই আমরা তাকে অফিস সহকারী পদে স্থায়ীভাবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় নিয়োগ দিয়েছি।’নতুন চাকরি পেয়ে মুহিব বলেন,আমার ছোট ভাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছে। তার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন। আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।আমি জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাই।উনি আমাকে সম্মানজনক একটি চাকরির ব্যবস্থা করেছেন।’উল্লেখ্য, ইশমাম গত ৫ আগস্ট রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর ৮ আগস্ট মারা যান। পরে তাকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page