১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা জাহিদ হাসান বাবুর সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রামে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রশাসন ও পুলিশ পটিয়া আ,লীগ নেতা পারভেজ গ্রেপ্তার। কেন লা লিগার উদ্বোধনী রাউন্ডে নেই বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ? দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের আহ্বান ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে বিপুল ব্যয়, এআইএফএফ-এর কড়া সমালোচনা করলেন বাইচুং ভুটিয়া মহেশখালীর দুই টার্মিনাল থেকেই চালু এলএনজি সরবরাহ, গ্রিডে বাড়ছে জোগান রাঙ্গুনিয়ায় খেলতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে ১১ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু________ গ্রীষ্মের দাবদাহে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সামুদ্রিক ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস গত দুই দশকে ১৬টি আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ করল ক্যাথে প্যাসিফিক
আন্তর্জাতিক:
দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের আহ্বান গত দুই দশকে ১৬টি আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ করল ক্যাথে প্যাসিফিক ফ্লোরিডায় রাশিদা তালিবের নির্বাচনী সমাবেশ বাতিল, নেপথ্যে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক জেসন আরডের প্রয়াণ: বিতর্ক ও শোকের ছায়া হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের, কঠোর হুঁশিয়ারি তেহরানের ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ২ ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মাত্র ৫.৩ সেকেন্ডে ৮০০ কিমি গতি: চীনের ম্যাগলেভ ট্রেনের নতুন বিশ্বরেকর্ড
     
             

কুড়িগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো গঙ্গাপূজা ও দশহরা মেলা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দেড়শো বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী গঁঙ্গা পূজা ও দশহরা মেলায় শতশত পূন্যার্থীর ঢলে মূখরিত মন্দির প্রাঙ্গন। অন্যান্য মেলার মত প্রায় দেড়শো বছর ধরে পালিত হয়ে আসা এই মেলাতে প্রখর রোদকে উপেক্ষা করেই দুর-দুরান্তর থেকে আসা শতশত দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে।মঙ্গলবার সকাল ৮ টা থেকে এ মেলা বিকাল ৪ টা পর্যন্ত উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্বধনীরাম ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের সোনাইকাজী এলাকার শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর দক্ষিণ তীরে পালিত হচ্ছে।জানা গেছে,দেড়শো বছর আগে মেলার নামে মৃত শরৎ চন্দ্র রায় এক একর জমি দান করেন। শুরুতে নিজস্ব জমিতে পুজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসতো।পরে ধরলা নদীর ভাঙ্গন ও গতিপথ বারবার পরিবর্তন হওয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে উপজেলার দুই স্থানে প্রতিবছরই গঁঙ্গা পূজা ও দশহরা মেলা অনুষ্ঠিত হয়।মেলায় এসে ধরলা নদীতে স্নান অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল দা, বটি, কাঠারি ও সব ধরনের হাতিয়ারসহ গৃহকর্মে ব্যবহৃত জিনিসপত্র। এছাড়াও উড়ুন, গাইন, লাঙ্গল, জোয়াল, ঝাপি, ডালি, কুলা, ডুলি, ঝাড়ু, হাতপাখাসহ সস্তায় কৃষি কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদী ও মৃৎপাত্রের বিভিন্ন বাহারি তৈষজপত্র, বর্ষার বিভিন্ন ফল, বড়মাছের শুটকিসহ বিভিন্ন জাতের বড় মাছ, বাতাসা, মুড়ি, মিষ্টি -জিলাপী, বেলুনসহ শিশুদের বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী। মেলা প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এভাবেই অনুষ্টিত হয়ে আসছে।শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর পাড়ে মেলায় আগত পুরোহিত বিপ্লব চক্রবর্তী বলেন,প্রতি বছরের ন্যায় মহা দশমীতে এখানে গঁঙ্গা স্নান সেরে পূর্নার্থীরা পাপ মুক্ত হন।নাগেশ্বরী উপজেলার বদিজামারপুর থেকে আসা পূন্যার্থী মালতী রানী রায় বলেন, স্নান করে পাপ মুক্ত হয়ে আমাদের ভালো লাগচ্ছে।দশহরা মেলার স্নান ও পূজা কমিটির সভাপতি হরিকান্ত চন্দ্র রায় বলেন, ঐতিহ্যবাহী গঁঙ্গা পূজা ও দশহরা মেলাটি প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো। আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে দেখে আসছি। আমরাও আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখলেও বর্তমানে বিভিন্ন কারণে গঁঙ্গা পূজা ও দশহরা মেলাটির জৌলুস হারাতে বসেছে।উল্লেখ্য, সূর্য বংশীয় রাজা দশরত দশমীতে পাপ মোচনের জন্য গঙ্গা নদীতে স্নান সেরে পূজা দিয়ে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরে আসতেন। এরই অনুকরণে বাংলা ১২৫০ সালে গঙ্গার শাখা নদী ধরলায় পাপ মোচনের জন্য গঙ্গা পূজা করে হিন্দুধর্মলম্বীরা দশমী তিথিতে নিষ্পাপ হয়ে বাড়ি ফিরেন। স্নান অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এখানে এদিন গীতাপাঠ, ভগবত আলোচনা, উপবাস এবং সর্বশেষ প্রসাদ বিতরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এ মেলায় ধরলায় ডুবে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা এদিন বন্ধু বা সই পাতান।বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভপতি সুনীল চন্দ্র রায় বলেন, উৎসব মূখর পরিবেশে দেড়শো বছরের পুরনো গঁঙ্গা পুজা ও দশহরা মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এ মেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত পূন্যার্থীরা এসে গঁঙ্গা স্নানে অংশ নিয়ে পাপ মোচনের জন্য প্রার্থনা করেন। প্রার্থনা শেষে পূজা কমিটির লোকজন দুর-দুরান্তের পূন্যার্থীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করেন।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page