১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ২ ডারউইন টেস্ট: চারশ ছাড়িয়ে বাংলাদেশের লিড দুইশ পার, মিরাজের ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে মালয়েশিয়াকে হারিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল আজকের খেলা: ১৫ আগস্ট ২০২৬-এ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ও ভারত-শ্রীলঙ্কা লড়াই টিভির পর্দায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু করলো সামিট এলএনজি টার্মিনাল সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে কাভারভ্যানসহ ২২ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় জিরা ও ফুচকা উদ্ধার, আটক ২ কলমাকান্দায় কবরস্থানের জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৫৬ আড়াইহাজারে কৃষক দল নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৫
আন্তর্জাতিক:
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত ২ ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মাত্র ৫.৩ সেকেন্ডে ৮০০ কিমি গতি: চীনের ম্যাগলেভ ট্রেনের নতুন বিশ্বরেকর্ড ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যৌথ সামরিক মহড়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, নতুন প্রতিরোধ গড়ার হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার জাপানে নজিরবিহীন রেকর্ড বৃষ্টি ও বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু, আটকা হাজারো যাত্রী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন: মুনাফা তুলে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ
     
             

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২

  

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শনিবার ভোরে ৭.৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের এন্ডে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে অন্তত দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে। এতে দেখা যায়, ভবনগুলো প্রচণ্ডভাবে দুলছে এবং আতঙ্কিত মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করছেন। নাগেওকেও’র এক বাসিন্দা জানান, বাজারে থাকা অবস্থায় তিনি মাটি প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে দেখেন। তিনি ও তার পরিবার আপাতত এলাকা ছেড়ে পাহাড়ি অঞ্চলের দিকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া সিক্কা’র বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মাউমেরে বন্দরের টার্মিনালের অপেক্ষাকক্ষের একাংশ ধসে পড়েছে। এক হাসপাতালকর্মী জানান, ভূমিকম্পের তীব্রতায় হাসপাতালের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে এসেছেন।

দুর্যোগের পরপরই ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বিএমকেজি সুনামির সতর্কতা জারি করে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তা আবদুল মুহারি উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সমুদ্রতীর থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূরে অথবা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০ মিটারের বেশি উঁচু পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানান। যদিও পরবর্তীতে এই সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে। ফ্লোরেস দ্বীপের জন্য এটি নতুন কোনো দুর্যোগ নয়; ১৯৯২ সালে প্রায় ৭ মাত্রার এক ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে এই অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই দেশটি বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

দেশটির ইতিহাসে বড় ধরনের ভূমিকম্পের একাধিক নজির রয়েছে। ২০০৪ সালে সুমাত্রার উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে পুরো অঞ্চলে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ মারা যায়, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার নিহতের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার। এছাড়া ২০১৮ সালে লম্বক দ্বীপে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্প ও পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক কম্পনে লম্বক ও পার্শ্ববর্তী সুম্বাওয়া দ্বীপে ৫৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।

৩১ বছর বয়সী এক হাসপাতালকর্মী জানান, হঠাৎ করে ভূমিকম্প শুরু হলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page