আনোয়ার হোসেন, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> ৬ বছরে স্কুলে ভর্তি, ১১ বছরে প্রাথমিক সমাপনী ও ১৭ বছরে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে অনুপ্রেরণামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে কিশোরগঞ্জ এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বর্ণিল ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষানুরাগী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতম সাহা, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, ওয়ার্ল্ড ভিশনের জেলা ফিল্ড প্রোগ্রাম কোয়ালিটি স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ শাহ্ কামাল, এপি ম্যানেজার সাগর ডি’ কস্তা, প্রোগ্রাম অফিসার আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। এসময় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে জরিপকৃত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়া ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ১৬১জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এসময় উপস্থিত গুনী ব্যক্তিগণ শিশু শ্রমের সাথে জড়িত ও ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হবার উৎসাহমূলক ও নানা দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং তাদেরকে ৫টি করে খাতা ও রজনীগন্ধা ফুলের স্টিক উপহার দিয়ে মমতার আঁচলে বরণ করে নেয়। পাশাপাশি এসব শিক্ষার্থীদের বিনামূল্য শিক্ষা দানে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানে কর্মবীর ও শিক্ষানুরাগী ইউএনও প্রীতম সাহা দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়া এসব শিক্ষার্থীরাও এমন আশ্বাসে আলোকিত মানুষ হবার স্বপ্ন বুনেন এবং চোখে মুখে ফুটে উঠে উচ্ছ্বলতার এক অনাবিল হাসি।


মন্তব্য