১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
রসুলবাগে চাক্তাই ডাইভারশন খাল: কাগজে পরিষ্কার, বাস্তবে দুর্ভোগ ধর্মশিং চাকমা হত্যার প্রতিবাদ সাজেকে বিক্ষোভ কর্ণফুলীতে ৬ কোটি টাকার চিংড়ি রেণু জব্দ জরিমানা ২ লাখ ভোরে ইউএনও’র অভিযান সাতকানিয়ায় মাটি কাটার ৩ সরঞ্জাম বিকল পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে ব্যসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা চসিকের ‘স্বাধীনতা পদক’ পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, ‘সাহিত্য সম্মাননা’ পাচ্ছেন ৫ জন চট্টগ্রামে বিদ্যুতের লোড শেডিং-এ নাগরিক জিবনে ছন্দোপতন পাঠাগার হোক নেতৃত্ব বিকাশের কেন্দ্র- শাহজাহান চৌধুরী সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে একুশে টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রামে এসএমই উন্নয়নে আধুনিক মার্কেটিং কৌশল নিয়ে বিসিকের সেমিনার
আন্তর্জাতিক:
তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে
     
             

কক্সবাজার কারাগারে ‘মধুমাস’ উদযাপন, মৌসুমি ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত বন্দিরা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

আবদুর রাজ্জাক, কক্সবাজার :- বন্দিদের মানসিক প্রশান্তি ও মৌসুমি আনন্দে সামিল করতে ব্যতিক্রমধর্মী এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৩ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে কারা প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয় ‘মধুমাস’ উদযাপন। এই আয়োজনে বন্দিদের মাঝে মৌসুমি ফল — রসাল আম ও সুস্বাদু কাঁঠাল — বিতরণ করা হয়। এদিন ২,৪৮৪ জন বন্দির মাঝে বিতরণ করা হয় প্রায় ১,০০০ কেজি আম ও ১০০টি কাঁঠাল। তাদের সঙ্গে ছিলেন ১৪০ জন কারা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। আয়োজনটি একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহের একটি প্রয়াস, তেমনি ছিল মানসিক প্রশান্তিরও উৎস।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার জাবেদ মেহেদী, জেলার আবু মুছা এবং ডেপুটি জেলার নোবেল দেব। তারা বন্দিদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়,“বন্দিদের মানবিক মর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনায় নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং তাদের মাঝে জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির প্রচেষ্টা। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”এই ব্যতিক্রমী আয়োজনটি বন্দিদের মাঝে ভিন্নরকম উচ্ছ্বাস তৈরি করে। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন আনন্দ উপভোগ করতে পেরে তারা কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্টরা ও সমাজের সচেতন মহল কক্সবাজার কারাগার কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে,“একটি ছোট্ট মানবিক আয়োজনও একজন মানুষকে বদলে দিতে পারে। কক্সবাজার কারাগারের এই উদ্যোগ হোক দেশের অন্যান্য কারাগারের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ।

”মানবিকতা আর সম্মানের ছোঁয়ায় বদলে যাক সংশোধনাগার — এই হোক নতুন শ্লোগান। বন্দিরাও মানুষ — তাদেরও আছে হাসার, ভালোবাসার, বাঁচার অধিকার।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page