লা লিগার নতুন মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্ত হলো রিয়াল মাদ্রিদের জন্য। আরসিডিই স্টেডিয়ামে এস্পানিওলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের কষ্টার্জিত জয়ে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লস ব্লাঙ্কোরা। এই জয়ের মাধ্যমে রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে ১৩ বছর পর ফেরা পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহো তার দ্বিতীয় অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখলেন। পুরো ম্যাচজুড়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়লেও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় নিশ্চিত হয় রিয়ালের।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সফরকারীরা। খেলার ৯ মিনিটে আরদা গুলারের নেওয়া চমৎকার এক ফ্রি-কিক থেকে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান জুড বেলিংহাম। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি রিয়াল। ৩০ মিনিটে জাভি হার্নান্দেজের কাট-ব্যাক থেকে গোল করে এস্পানিওলকে ১-১ সমতায় ফেরান অ্যালেক্স ক্যালাত্রাভা। প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পের বেশ কয়েকটি জোরালো আক্রমণ এস্পানিওলের গোলরক্ষক মার্কো দিমিত্রোভিচ দক্ষতার সঙ্গে রুখে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে রিয়াল মাদ্রিদ আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়। বেলিংহাম ও এমবাপ্পের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি ফেদেরিকো ভালভারদের একটি শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়েছিল রিয়াল। এমন টানটান উত্তেজনার মুহূর্তে ম্যাচের ৮০ মিনিটে বেলিংহামের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এস্পি। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে বক্সে আসা একটি আলগা বল থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে জয় এনে দেন লেভান্তে থেকে আসা এই স্ট্রাইকার।
ম্যাচটিতে রিয়ালের হয়ে নতুনদের অভিষেকও ছিল চোখে পড়ার মতো। খেলার ৬৪ মিনিটে ১২০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে আসা আইভরি কোস্টের উইঙ্গার ইয়ান দিওমান্দে প্রথমবারের মতো রিয়ালের জার্সিতে মাঠে নামেন। এছাড়া ডিন হুইসেন, ইব্রাহিমা কোনাটে এবং ডেনজেল ডামফ্রিজের মতো নতুন খেলোয়াড়রাও এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। শেষ পর্যন্ত এস্পির ওই এক গোলই মরিনহোর নতুন যাত্রার শুরুটা জয় দিয়ে রাঙিয়ে দিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথম মেয়াদ শেষের ১৩ বছর পর ক্লাবে ফিরে জয় দিয়ে নিজের নতুন অভিযাত্রা স্মরণীয় করে রাখলেন পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড হোসে মরিনহো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে পিছিয়ে পড়ে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি এস্পানিওল।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ


মন্তব্য