বার্সার ১০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে উল্টো কাতালান ক্লাবটির সমালোচনা করে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) কাছে অভিযোগ দায়ের করে আতলেতিকো।
২০৩০ সালের জুনে ক্লাবটিতে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ২০২৪ সালে আতলেতিকোয় যোগ দেন আলভারেজ।
দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
পাশাপাশি রক্ষণভাগও হবে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী।
ভণিতা ছেড়ে সোজা কথাটা সোজা করেই বলা যাক।
হুলিয়ান আলভারেজ আতলেতিকো ছেড়ে বার্সায় যোগ দিতে চান, তা স্পষ্ট করে জানা গেছে সর্বশেষ বিশ্বকাপেই।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তখন জানিয়েছিল, আলভারেজ আসলে বার্সায় যোগ দিতে চান।
রিয়াল মাদ্র্রিদ ও বার্সেলোনা আলভারেজকে কিনতে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়েছে।
ওদিকে আতলেতিকো আলভারেজকে কোনোভাবেই বেচবে না।
এত কিছুর পরও আতলেতিকো আসলে ঠিক নির্ভার হতে পারছে না।
আর ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর কথা ভাবছে আতলেতিকো।
‘মার্কা’র খবর, আতলেতিকো মনে করে রক্ষণে রোমেরোকে পাওয়া গেলে দলের শক্তি আরও বাড়বে।
আলভারেজ ও ‘কুটি’ রোমেরোর বন্ধন শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতেই সীমাবদ্ধ নয়।
দুজনের বয়সের ব্যবধান মাত্র তিন বছরের।
স্ট্রাইকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আলভারেজের ওপর রোমেরোর মানসিক প্রভাবও স্পষ্ট।
এ কারণেই মনে করা হচ্ছে, আলভারেজকে নিয়ে এখন যে পরিস্থিতি চলছে, সেটার সমাধানে আতলেতিকোর নির্ভরযোগ্য ‘সহযোগী’ হয়ে উঠবেন রোমেরো।
স্পেনে দেওয়া নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে ‘মার্কা’কে আলভারেজ বলেছিলেন, তিনি যত ডিফেন্ডারের মুখোমুখি হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রোমেরোই সেরা।
সেই কথা মাথায় রেখে আতলেতিকোর নীতিনির্ধারকদের আশা, ড্রেসিংরুমে রোমেরোর উপস্থিতি এই স্ট্রাইকারকে বার্সায় যাওয়ার চিন্তাভাবনা দূরে সরিয়ে রাখবে।
টটেনহামের কাছ থেকে প্রায় ৪ কোটি ইউরোয় রোমেরোকে কেনার ব্যাপারে আশাবাদী আতলেতিকো।
এ চুক্তি আলোর মুখ দেখলে ক্লাবটি মনে করছে, আলভারেজের পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
সূত্র: প্রথম আলো


মন্তব্য