মোঃ কাজী আব্দুল্লা হিল আল কাফী
বিশ্ব মাঝে করোনা ভাইরাস না শেষ হতেই, শুরু হয় রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ।এই যুদ্ধ বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।হঠাৎ অধিক হারে বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল যাবতীয় জিনিসপত্রের মূল্য, যা হাতের নাগালের বাইরে।দিশেহারা হয়ে পড়ে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব শুধু নিম্নবিত্ত নয় সাথে মধ্যবিত্ত মানুষ সকলে দিশেহারায় হয়ে পড়েছে।আমাদের দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি তো নতুন কিছু নয়, কারণ,আজ সকালে একটি দ্রব্য ক্রয় করলে বিকেলবেলা সেই দ্রব্য তার দ্বিগুন মূল্যেতে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।দিনদিন তো দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য হু হু করে বাড়ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজান,ঈদ,পূজা,পার্বণে,আন্তর্জাতিক বাজারের কথা বলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দ্বিগুন মূল্য বৃদ্ধি করে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।অথ্যাৎ,চাউল,ডাল,আলু, লবণ,শাকসবজি,তরকারি,পেয়াজ,মরিচ, ইত্যাদি প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী।যা না কিনলে নয়,এই সাধারণ দ্রব্যসামগ্রী কিনতে সাধারণ মানুষ হয়ে গেছে অচল।একজন শ্রমিক সারাদিন রৌদ্রময় দিনে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করে সেই টাকা দিয়ে বিকেলবেলা বাজারে গেলে সামান্য কিছু বাজার করা যায় যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।এতেই পুরো কাজের টাকা শেষ হয়ে যায় করার কিছু থাকে না।দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।আবারো আগের মতো অভাব ঘরে দেখা দিচ্ছে,স্বাভাবিক পুষ্টি চাহিদা যোগানো সম্ভব হচ্ছে না।বরং কিছু মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভুগছে।দেশকে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পদক্ষেপ গ্রহন করা খুবই প্রয়োজন।বাজারের সকল ব্যবসায়ীগন যে দামে দ্রব্যমূল্য ক্রয় করেন সেটা সঠিক দামে বিক্রয় করেন।যাতে করে সকল মানুষের সেটা কিমে খাওয়ার সামর্থ্য হয়।আসুন আমরা সকলের বিপদ আপদে সকলে এগিয়ে আসি।বাড়ির পাশে একজন না খেয়ে থাকলে বা অসুস্থতায় ভুগলে সেইজনকে খাবার ও চিকিৎসা করে সুস্থ করি।কারণ তারাও আমাদের মতো মানুষ আজকে আমরা তাদের চেয়ে উপরে আছি বলেই পার্থক্য তা নয় ওরা মানুষ আমরাও মানুষ।সবার বিপদে আপদে সবাই আমরা একসাথে এগিয়ে আসবো এটা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।


মন্তব্য