সাতকানিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি >>> বর্তমান অধ্যক্ষ আহমদ রেজা স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় ২০১৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করে উপাধ্যক্ষ হন। পরে আর্থিক অসদুপায় অবলম্বন করে অবৈধভাবে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগের সুবিধা নেন।অধ্যক্ষের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের গুন্ডা-মাস্তানদের সহায়তায় মাদ্রাসার সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট করে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর সব সময় স্বৈরাচারী, স্বেচ্ছাচারী বেপরোয়া আচরণ। মতের অমিল হলেই কথায় কথায় হুমকি-ধামকি, মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার ত্রাসের রাজত্ব করে মাদ্রাসার পবিত্র আঙ্গিনায়। এমনকি ভিন্ন মতাদর্শী শিক্ষার্থীদের নিজেই মাদ্রাসা হোস্টেল থেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। এ কেমন দানব-হিংস্র শিক্ষক?অন্যদিকে আওয়ামী স্বৈরশাসকের গুন্ডাপান্ডা এবং কমিটির লোক দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে হেনস্তা করতেন। মাদ্রাসা অফিস হয়ে উঠে বহিরাগতদের অবৈধ কার্যকলাপের আড্ডাখানা, টর্চার-নিপীড়ন, সিগারেট-নেশা খাওয়ার আস্তানা। এভাবে মাদ্রাসার পড়াশোনার সুন্দর ও মৌলিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়।সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট এবং মাদ্রাসার সম্পদ অবৈধভাবে ভাগবাটোয়ারা করে খাওয়ার গুরু তিনি।উনার দুর্নীতি ও অবৈধ কার্যকলাপের কিছু আমলনামা সংযুক্তি আকারে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে হিসাব-নিকাশ এবং জবাবদিহিতার ধার ধারেন না কখনো।ভিন্ন মতাদর্শী শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে পদে পদে প্রতিমুহুর্তে হেনস্তা করতেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দিতেন। এতে সবার মাঝে সব সময় আতঙ্ক-ভয় বিরাজ করতো। এমনকি প্রাক্তন শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করায় অধিকাংশ বর্তমান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা লঙ্গনকারী এবং প্রতিষ্ঠান বিরোধী শিক্ষক হিসেবে কেনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে নোটিশ জারি করেন। এই অধ্যক্ষের অবৈধ কার্যকলাপ ও স্বেচ্ছাচারীতার কারণে মাদ্রাসার বার্ষিক সভা পর্যন্ত অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছাড়া অনেকটা জনশূন্য অবস্থায় পালিত হয়ে আসছে।দুঃখের বিষয়, ফোরকানিয়া মাদ্রাসার সভাও এর চেয়ে জনপ্রিয় এবং জাঁকজমকপূর্ণ হয়। এভাবে স্বৈরাচারী লুটপাটকারী অধ্যক্ষ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের কারণে ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার সুনাম ও খ্যাতি আজ বিলুপ্তির পথে।এসকল দাবী করেন চট্টগ্রামে সাতকানিয়া রসুলাবাদ ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ,অভিভাবকবৃন্দ, এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের বিক্ষুব্ধ জনতা।এদিকে বর্তমান ছাত্রদের সমন্বয়কের ঘোষণা- আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অধ্যক্ষের পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্ররা। পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কোনো ধরনের বহিরাগত গুন্ডাদের হস্তক্ষেপ যেন না হয়, এজন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। এই অবৈধ অধ্যক্ষকে অপসারণ এবং গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবী। অধক্ষের পদত্যাগ, বিচার ও গ্রেফতারের দাবিতে আগামীকাল সোমবার ২৬ আগস্ট মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।











মন্তব্য